পুঁজিবাজারে ভালো ও মানসম্পন্ন কোম্পানির সংকটের পাশাপাশি দুর্বল সারভিলেন্স ব্যবস্থার কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, ছোট পর্যায়েই অনিয়ম শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া, ভালো কোম্পানি ও নতুন আইপিও বাজারে আনা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। এসব পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পুঁজিবাজারের বর্তমান সংকট কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে।
পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি সংস্কার কার্যক্রমও ধীরে ও স্থিরভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনায় এ কথা বলেন তারা।
ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি রোজারিও, ডিবিএ\'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, ডিবিএ\'র সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সিইও মেসবাহ উদ্দিন প্রমুখ।
আলোচনায় ডিবিএর সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী বলেন, পুঁজিবাজারে ৬ হাজার সূচক এখন একটি মনস্তাত্ত্বিক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূচকটি ৬ হাজারের কাছাকাছি গেলেই বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট ‘ট্রিমার’ ও ‘আর্থকোয়েক’ আসে। ফলে ৫ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার ৮৫০-এর ঘরে গেলেই বাজার ধপ করে পড়ে যায়।
তিনি বলেন, ৬ হাজারের যে সাইকোলজিক্যাল ব্যারিয়ার, মার্কেট এটা ক্রসই করতে পারে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোট ছোট ট্রিমার, ছোট ছোট আর্থকোয়েক আসে।
বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অযথা হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানিয়ে লালী বলেন, কোনো বিনিয়োগকারী ১ হাজার কোটি টাকার শেয়ার কিনলে সমস্যা কোথায়, সেটি আগে দেখতে হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, একজন বিনিয়োগকারী ১০ লাখ টাকার শেয়ার কিনলেই কেন ব্রোকারেজ হাউসে ফোন করে জানতে হবে, তিনি কেন এত শেয়ার কিনছেন?
তার মতে, বাজারকে বড় হতে দিতে হলে বিনিয়োগকারীদের বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে। তবে অবৈধ বা কারসাজিমূলক লেনদেন হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।
লালী বলেন, মার্কেট ৬ হাজার গেল, ১০ হাজার যাক। উই শুড হ্যাভ নো প্রবলেম উইথ দ্যাট, আনটিল দেয়ার ইজ এ ব্যাড প্লে।
সারভিলেন্স থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে
পুঁজিবাজারের নজরদারি ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ডিএসইতে কোনো সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হলে দীর্ঘ তদন্তের পরিবর্তে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যাখ্যা নেওয়া যেতে পারে।
আমি সারভিলেন্স সিস্টেমে বসে যখন দেখছি যে অমুক হাউসে এই ট্রেড হয়েছে, দিস ইজ আ ফল্টি ট্রেড আমি তাৎক্ষণিকভাবে কেন ওই হাউসে ফোন করে বলি না, ভাই, আপনার হাউস থেকে এরকম একটা ট্রেড হয়েছে যেটা ফল্টি ট্রেড, আপনি ইমিডিয়েটলি দেখেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট টু মি- বলেন লালী।
তিনি বলেন, এভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অপ্রয়োজনীয় তদন্ত, কাদা ছোড়াছুড়ি এবং বাজারে আতঙ্ক কমানো সম্ভব হবে। সারভিলেন্স ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবল রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে সারভিলেন্স বিভাগে ২৫ বছর ধরে কাজ করছেন এমন কর্মকর্তার সঙ্গে তার দেখা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিন একই জায়গায় কাজ করার সুযোগ থাকে না। ফলে অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ কমে যায়।
ভালো কোম্পানি ও আইপিও আনার তাগিদ
পুঁজিবাজারে নতুন ও ভালো কোম্পানি না আসার বিষয়টিও আলোচনায় তুলে ধরেন লালী। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন বাজারে নতুন আইপিও আসছে না? কী করছি আমরা নতুন আইপিও, ব্লু চিপ কোম্পানি আনার জন্য?
সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) শেয়ার তালিকাভুক্ত করারও প্রস্তাব দেন তিনি। ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) হাতে থাকা সিডিবিএলের শেয়ার বাজারে আনা গেলে এটি একটি ভালো কোম্পানি হিসেবে বাজারকে শক্তিশালী করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এছাড়া পিএইচপি গ্রুপের কয়েকটি কোম্পানি ও স্টার ফার্মার মতো ভালো প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন লালী।
তিনি বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জের নিজস্ব মার্কেটিং কার্যক্রম থাকা দরকার। সম্ভাবনাময় কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত করতে পারে ডিএসই। তবে এর অর্থ স্টক এক্সচেঞ্জ মার্চেন্ট ব্যাংকের ভূমিকা পালন করবে না। বরং কোম্পানিকে বাজারে আসার বিষয়ে আগ্রহী করে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকের কাছে পাঠানো যেতে পারে।
বেক্সিমকো ফার্মার তালিকাভুক্তির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই সময় সংশ্লিষ্ট মার্কেটিং বিভাগ কোম্পানিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বাজারে নিয়ে এসেছিল।
ডিএসইর লাইব্রেরি চালুর আহ্বান
ডিএসইর পুরোনো লাইব্রেরি বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন লালী। তার মতে, একসময় এই লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থী, ব্রোকার ও ডিএসইর কর্মকর্তারা বিভিন্ন তথ্য ও নথি যাচাই করতে যেতেন।
তিনি বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সবসময় হ্যাড এ লাইব্রেরি। আপনারা লাইব্রেরি বন্ধ করে দিয়েছেন। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ হ্যাজ দ্য বিগেস্ট অ্যান্ড রিচেস্ট লাইব্রেরি ইন দ্য রিজিয়ন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নো লাইব্রেরি।
পুঁজিবাজার বিষয়ে গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার জন্য লাইব্রেরি আবার চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
হরমুজ সংকটের প্রভাবও বাজারে পড়ছে
ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক তেল সংকটসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেও পড়ছে। শুধু একে অপরকে দোষারোপ না করে সংকট থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজতে হবে।
বর্তমান বিএসইসি কমিশনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান মাসুদ খান ও চার কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত বর্তমান কমিশন তার দেখা অন্যতম সেরা কমিশন। সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ ও শিক্ষিত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই কমিশন পুঁজিবাজারে পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। তবে শুধু কমিশনের পক্ষে এককভাবে বাজারকে ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব নয়।
হরমুজ প্রণালির সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তেল এখন অর্থনীতির রক্ত সঞ্চালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তেলের বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ছে।
তার মতে, গত ১০-১৫ দিনের বাজার পতনের অন্যতম কারণ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও তেল সংকট। এর সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতাও যুক্ত হয়েছে।
১৫০ আইপিও ‘রেড ফ্ল্যাগ’
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনের মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মিনহাজ মান্নান ইমন। তিনি বলেন, ২০০ থেকে ৩০০ আইপিওর মধ্যে প্রায় ১৫০টি এখন ‘রেড ফ্ল্যাগ’। এসব কোম্পানির ব্যালান্স শিট ও অভ্যন্তরীণ তথ্য সঠিক ছিল না এবং সেখানে ‘ট্রু অ্যান্ড ফেয়ার ভিউ’ পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, এসব বিষয় ডিএসই থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমান কমিশন এ সমস্যা সমাধানে কাজ করছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ইমন বলেন, পুঁজিবাজারের ‘ইকোসিস্টেম’ পরিবর্তন শুরু হয়েছে। কমিশন আগের মতো করে পুঁজিবাজার পরিচালিত হতে দিচ্ছে না। বিএসইসি ও ডিএসইর বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিনিয়োগকারীর আস্থা ফেরানোর আহ্বান
ব্রোকারদের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অর্থ নিরাপদ রাখার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন ইমন। তিনি বলেন, ব্রোকারদের কাছে থাকা বিনিয়োগকারীদের টাকা হারিয়ে যাবে এমন অপবাদ থেকে ব্রোকার কমিউনিটিও মুক্তি পেতে চায়।
আইপিএফ ফান্ডসহ বিভিন্ন ব্যবস্থায় বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিএসইর বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং চলতি বছরের মধ্যেই বড় অংশের অর্থ বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যানের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার বক্তব্য বাজারে বড় প্রভাব ফেলে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে একটি বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইমন বলেন, বিনিয়োগকারী কিছু একটা ধরতে চান, একটি আস্থার জায়গায় আসতে চান। আর সেই আস্থা আপনার বক্তব্যের মাধ্যমেই তৈরি হতে পারে। আপনাকে ভালো কথা বলতে হবে। আশার কথা বলতে হবে।
সারভিলেন্স শক্ত না করলে সমস্যা আবারও হবে
ডিএসইর পরিচালক রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, পুঁজিবাজারের সারভিলেন্স ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী না করলে অতীতের সমস্যাগুলো আবারও ফিরে আসবে। ছোট পর্যায়ে কোনো অনিয়ম শনাক্ত করে ব্যবস্থা না নিয়ে সেটি বড় হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হলে বাজারের ক্ষতি হয়।
তিনি বলেন, কোনো সমস্যা যখন ১ লাখ বা ২ লাখ টাকার পর্যায়ে থাকে, তখনই সারভিলেন্সের মাধ্যমে সেটি শনাক্ত হওয়া উচিত। ৫ লাখ টাকায় পৌঁছালেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কোনো অনিয়ম ৫০ কোটি বা ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছানোর পর কেন ধরা পড়বে এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমি কনসার্ন হয়েই কথাগুলো বলছি। সারভিলেন্সের জায়গাগুলো যদি আমরা শক্তিশালী না করি, তাহলে এই সমস্যাগুলো আবারও ঘটবে।
৩২ লাখ থেকে বিও হিসাব ১৫ লাখে
বিও হিসাব কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও দেশে প্রায় ৩২ লাখ বিও হিসাব ছিল। বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। তারমতে, গত কয়েক বছরে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারে অংশগ্রহণ সীমিত করেছে।
তিনি বলেন, আইপিওতে অংশগ্রহণের সুযোগ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। গৃহকর্মীসহ সাধারণ মানুষও যেন পুঁজিবাজারে অংশ নিতে পারেন, সেই সুযোগ তৈরি করতে হবে।
বড় বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে দূরে সরে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ জানান রিচার্ড ডি রোজারিও। তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের পর লোকসান হলে তাদের নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা হওয়ায় তারা ধীরে ধীরে বাজার থেকে সরে গেছেন।
ভালো শেয়ারের সংকট
বর্তমানে বাজারে ভালো কোম্পানি ও ভালো শেয়ারের সংকট রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ১০-১৫ বছর আগের ভালো কোম্পানিগুলো এখনো থাকলেও নতুন করে বিনিয়োগের মতো ভালো কোম্পানি ও স্ক্রিপ্ট তৈরি হয়নি। তাই বাজার সংস্কারে তাড়াহুড়ো না করে ‘স্লো অ্যান্ড স্টেডি’ পদ্ধতিতে এগোনো উচিত।
রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, আমাদের এখানে স্টেডিভাবে যেতে হবে। আমরা হঠাৎ করে রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন করে ফেলতে পারবো এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।
এমএএস/এমএএইচ/