জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে (সিইসি) কিছু দাবি নিয়ে এসেছিলাম। এসব দাবি, আমাদের দাবি মানতেই হবে। নইলে স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বৈঠকে দলটির ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন। ইসির পক্ষ থেকে বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সিইসির কাছে আমরা কয়েকটি দাবি ও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তফসিলের প্রসঙ্গে আজকের বৈঠকে আসা। কিছু দাবি আগেও ইসিকে জানানো হয়। সেগুলোর ফলোআপ, কতটুকু এগোলো তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কমিশন তাদের একটি মিটিংয়ে অনুমোদন দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক যারা আছেন তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। এটা বাতিল করতে বলেছি। এটি সংবিধানের আর্টিকেল ২৭, ২৮ এ উল্লেখ করা সমতা ও বৈষম্যহীনতার পরিপন্থি। এটি সংবিধানের লঙ্ঘন। রাজনৈতিক কার্যক্রম সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ এমন দলের কাউকে (পদবী হোল্ড করছেন) নির্বাচনে রাখা যাবে না বলে আমরা জানিয়েছি।
তিনি বলেন, ইসিতে সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া শামসুল আলম সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। তাকে এডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটিও সংবিধানের লঙ্ঘন। ইসি তাদের ব্যবস্থা জানাবে বলেছে। এও বলেছে নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার তাদের (ইসির) নেই। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাতে নির্বাচনের আগের সময়ে তারা মাঠ তৈরি করতে পারে। এটার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর তারা পদত্যাগ করলেও হবে না। যারা প্রশাসক তাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে বলে আমরা দাবি জানিয়েছি। মন্ত্রী এমপিরা যেন স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিতে না পারে সেটিও বলেছি আমরা।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য হয়েছে শুধু জাতীয় নির্বাচনের জন্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের শরিকদের সঙ্গে সংঘাত হবে না।
এমওএস/এসএনআর