জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির কোনো স্পনসর বা পরিচালকের শেয়ার লেনদেন ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পূর্বানুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।
বিশেষ করে ঋণখেলাপির কারণে শেয়ার বাজেয়াপ্ত এবং শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর পর শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন আর প্রয়োজন হবে না।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসি জানায়, কমিশনের ২০২৪ সালের ২০ মে’র নির্দেশনার সংশ্লিষ্ট বিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশোধনের ফলে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির স্পনসর বা পরিচালকদের শেয়ার বা ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ লেনদেন কিংবা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু ঘটনায় কমিশনের পূর্বানুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
আরও পড়ুন
এজিএম করতে ব্যর্থ ৯ কোম্পানি গেলো ‘জেড’ গ্রুপে
এর মধ্যে বিশেষভাবে রয়েছে ঋণখেলাপির কারণে শেয়ার বাজেয়াপ্ত বা বাজেয়াপ্তকরণ এবং কোনো শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর পর তার মালিকানাধীন শেয়ার উত্তরাধিকারসূত্রে হস্তান্তর বা ট্রান্সমিশন।
এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে তাদের প্রযোজ্য তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক জটিলতার মধ্যে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় শেয়ার হস্তান্তর ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে। বিশেষ করে কোনো শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীদের কাছে শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
এদিকে একই সভায় আইপিও ছাড়াই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির সুযোগ দিতে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ বাই স্টক এক্সচেঞ্জ) রুলস, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন করেছে বিএসইসি। পাশাপাশি বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠানোর সময়সীমা নির্ধারণ এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইতে ইনডেক্স ফিউচার চালুর লক্ষ্যে ডেরিভেটিভস কর্মপরিকল্পনাও অনুমোদন করা হয়েছে।
এমএএস/এমআইএইচএস/