কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, মা মাছ ও রেনু পোনা নিধন বন্ধের নিমিত্তে অভিযান পরিচালনা করে ২২ বস্তা চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় পৌর শহরের পঞ্চবটি কানু হাজীর বাগান বাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি গুদাম ঘর থেকে জালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে ওই এলাকায় জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এইচ.এম আজিমুল হক। এসময় গোডাউন পরিচালক ও সুমন মিয়ার মালিকানাধীন সুমন স্টোরের ম্যানেজার টুটুল দাসকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেনসহ ভৈরব শহর ফাঁড়ি থানা পুলিশ।
আরও পড়ুন
সপরিবারে শিক্ষক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ
মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দপ্তরের উদ্যোগে ভৈরব বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর ১টায় পঞ্চবটি কানু হাজীর বাগান বাড়ির এলাকার একটি গোডাউন থেকে চায়না দুয়ারি জাল পাওয়া যায়।
ভ্র্যাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এইচ.এম আজিমুল হক বলেন, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও মাছের পোনা সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস একসঙ্গে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে। দুপুরে পঞ্চবটি এলাকায় কানু হাজীর পুকুর পাড়ে একটি গোডাউন থেকে ২২ বস্তায় ৪৪০ পিস চায়না দুয়ারি জাল পাওয়া যায়। এ বিষয়ে মালিকপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করেছে। জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংসসহ প্রতিষ্ঠান মালিককে নগদ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
রাজীবুল হাসান/এনএইচআর/জেআইএম