
সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তির অপেক্ষায় আছে দেশি–বিদেশি একগুচ্ছ সিনেমা ও সিরিজ। এর মধ্যে কোন ১০টি না দেখলেই নয়? রইল বাছাই ১০ প্রকল্পের খবর—
প্রেক্ষাগৃহ
‘লাভ ৯৬’, ৪ সেপ্টেম্বর
সেপ্টেম্বর মাসটা সালমান শাহর ভক্তদের জন্য বিশেষ কিছু। এই মাসের ৬ তারিখেই মৃত্যু হয় নায়ককের, ১৯ সেপ্টেম্বর আবার তাঁর জন্মদিনও। সালমান খানকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা মুক্তির সময় এর চেয়ে ভালো আর কীই–বা হতে পারে। সালমান শাহকে নিয়ে তৈরি ইভান মল্লিক পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে ৪ সেপ্টেম্বর। নির্মাতা জানান, সিনেমাটিতে কোনো বিতর্কিত বিষয় নেই; আছে সালমান শাহর প্রতি ভক্তদের আবেগ এবং নস্টালজিক সময়কে পর্দায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। এটি পুরোপুরি প্রেম ও অ্যাকশনধর্মী বাণিজ্যিক সিনেমা বলে জানিয়েছেন পরিচালক। নব্বইয়ের দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন আরিয়ান খান ও পূর্ণতা। এই জুটির প্রথম সিনেমা এটি।
‘প্র্যাকটিক্যাল ম্যাজিক ২’, ১১ সেপ্টেম্বর
১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘প্র্যাকটিক্যাল ম্যাজিক’-এ দুই বোন গিলিয়ান ও স্যালির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন নিকোল কিডম্যান ও স্যান্ড্রা বুলক। দুই বোনই ছিলেন জাদুবিদ্যার অধিকারী। মুক্তির সময় ছবিটি দর্শকদের তেমন মুগ্ধ করতে পারেনি, বক্স অফিসেও প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছবিটি গড়ে তোলে নিজস্ব দর্শকগোষ্ঠী; ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে কাল্ট ক্ল্যাসিক।

২৮ বছর পর অবশেষে আসছে এর সিক্যুয়েল। আগের ছবির মতো এবারও গল্পটি নির্মিত হয়েছে লেখক অ্যালিস হফম্যানের উপন্যাস অবলম্বনে। প্রধান দুই চরিত্রে আবারও ফিরছেন নিকোল কিডম্যান ও স্যান্ড্রা বুলক। গল্পে পরিবারের বহু পুরোনো এক অভিশাপের মুখোমুখি হবে নতুন প্রজন্ম। দুই তরুণী জানতে পারেন, তাঁদের পরিবারের নারীদের প্রেমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভয়ংকর এক নিয়তি—তাঁরা যে পুরুষকেই ভালোবাসবেন, সেই পুরুষের জীবন অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। ছবিটির পরিচালক সুজান বিয়ার।
‘হার্ট অব দ্য বিস্ট’, ২৪ সেপ্টেম্বর
বন্য প্রকৃতিতে টিকে থাকার গল্প পছন্দ করেন যাঁরা, তাঁদের জন্য সেপ্টেম্বর মাসে থাকছে সুখবর। এ মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসছে এমন দুটি সারভাইভাল অ্যাডভেঞ্চার ছবি। ‘দ্য ওয়েট’-এর পাশাপাশি রয়েছে ব্র্যাড পিট অভিনীত ‘হার্ট অব দ্য বিস্ট’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ডেভিড আয়ার। এতে ব্র্যাড পিটকে দেখা যাবে আহত এক স্পেশাল ফোর্সেস সেনাসদস্যের চরিত্রে। দুর্গম আলাস্কার জঙ্গলে বিমান দুর্ঘটনার পর তাঁকে সভ্যতার পথে ফিরতে শুরু করতে হয় এক কঠিন ও বিপজ্জনক যাত্রা। তবে এই লড়াইয়ে তিনি একা নন। তাঁর সঙ্গে আছে বিশ্বস্ত সামরিক কুকুর ওডিন। মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির ভয়ংকর লড়াইয়ের পাশাপাশি মানুষ ও তার কুকুরের বন্ধনও ছবিটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মুক্তির আগের সাক্ষাৎকারে ব্র্যাড পিটের প্রশংসা করেছেন নির্মাতা।
তবে আয়ারের কথায়, ওডিন চরিত্রের কুকুরটিও হয়তো ব্র্যাড পিটকে টেক্কা দিতে পারে! বাস্তবে ওডিনের চরিত্রে অভিনয় করেছে পাহাড়ি উদ্ধারকাজে প্রশিক্ষিত কুকুর উবার। দর্শকদের উদ্বেগ কমাতে পরিচালক অবশ্য একটি ‘স্পয়লার’ আগেই জানিয়ে দিয়েছেন—কুকুরটি মারা যায় না।

ওটিটি
‘গান্ধারী’, নেটফ্লিক্স
মায়ের ভালোবাসার কাছে ভয় কতটা শক্তিশালী? সন্তানের জীবন বিপন্ন হলে একজন মা কত দূর যেতে পারেন? এসব প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে তাপসী পান্নুর নতুন ছবি গান্ধারী। অ্যাকশন, থ্রিলার, রহস্য আর এক মায়ের আবেগঘন লড়াই—সব মিলিয়ে নেটফ্লিক্সের নতুন ছবিটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে মুক্তির আগেই। ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাপসী পান্নু। তাঁর চরিত্রের নাম বাণী—এক মা, যার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন শুরু হয় নিজের মেয়েকে হারিয়ে ফেলার পর। গল্পের শুরু একটি অপহরণকে ঘিরে। বাণীর ছোট মেয়েকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার মধ্যে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে বাণী হারান তাঁর দৃষ্টিশক্তিও। একদিকে নিজের অন্ধত্ব, অন্যদিকে মেয়েকে হারানোর অসহ্য যন্ত্রণা—সব মিলিয়ে তাঁর জীবন যেন মুহূর্তেই বদলে যায়। কিন্তু বাণী হার মানার মানুষ নন। মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি নিজেই নেমে পড়েন বিপজ্জনক এক অনুসন্ধানে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন দেবাশিস মাখিজা।
‘দ্য জেন্টেলমেন’, নেটফ্লিক্স
ব্রিটিশ অভিজাত সমাজ, বিলাসবহুল প্রাসাদ, মাদক ব্যবসা, গ্যাংস্টারদের ক্ষমতার লড়াই আর গাই রিচির স্বভাবসুলভ তীক্ষ্ণ রসবোধ—সব মিলিয়ে ২০২৪ সালে নেটফ্লিক্সে আলোচনায় এসেছিল ‘দ্য জেন্টেলমেন’। এবার আরও বড় পরিসরে ফিরছে সিরিজটির দ্বিতীয় মৌসুম। প্রথম মৌসুমে এডি হর্নিম্যান ছিলেন এমন এক ব্যক্তি, যিনি অনিচ্ছা সত্ত্বেও অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় মৌসুমে সেই এডিই আর আগের মানুষটি নন। এখন তিনি ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছেন। আর সেই স্বাদ তাঁকে আরও বেশি চাইতে শিখিয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাচ্ছে সিরিজটির দ্বিতীয় মৌসুম। নতুন মৌসুমে আবারও কেন্দ্রীয় চরিত্রে ফিরছেন থিও জেমস ও কায়া স্কোডেলারিও। নেটফ্লিক্স ইতিমধ্যে সিরিজটির তৃতীয় মৌসুমের ঘোষণা দিয়েছে। গাই রিচির মতে, সিরিজটির উচ্চাকাঙ্ক্ষা বেড়েছে, গল্পের পৃথিবী আরও বিস্তৃত হয়েছে এবং চরিত্রগুলোর সিদ্ধান্তের পরিণতিও এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তৃতীয় মৌসুম যেন প্রায় অনিবার্যই হয়ে উঠেছিল।

‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’, প্রাইম ভিডিও
ছেলের জন্য পৃথিবীর কোনো মেয়েই যথেষ্ট ভালো নয়—এমন ধারণা অনেক মায়ের মধ্যেই থাকতে পারে। কিন্তু সেই অতিরিক্ত সুরক্ষার মনোভাব যদি ধীরে ধীরে সন্দেহ, ভয় আর আতঙ্কে পরিণত হয়, তখন কী ঘটে? সেই প্রশ্ন নিয়েই তৈরি হয়েছে নতুন মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার সিরিজ ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’। ধনী ও সফল এক নারী, তাঁর ছেলে এবং ছেলের হবু স্ত্রীকে ঘিরে তৈরি এই গল্পে ধীরে ধীরে জটিল হয়ে উঠবে সম্পর্কের সমীকরণ। দর্শকের সামনেও তৈরি হবে একটি বড় প্রশ্ন—আসলে বিপজ্জনক কে? ১০ সেপ্টেম্বর প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাচ্ছে সিরিজটি। সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্র লরা। ধনী, সফল এবং নিজের সাজানো জীবনে অভ্যস্ত এই নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন রবিন রাইট। লরার জীবনে সবকিছু বদলে যেতে শুরু করে যখন তাঁর ছেলে ড্যানিয়েল একদিন পরিচয় করিয়ে দেয় নিজের হবু স্ত্রীর সঙ্গে। ড্যানিয়েলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন লরি ডেভিডসন। আর তাঁর বাগ্দত্তা চেরির চরিত্রে রয়েছেন অলিভিয়া কুক।

‘স্লো হর্সেস ৬’, অ্যাপল টিভি+
গুপ্তচর মানেই নিখুঁত পরিকল্পনা, চকচকে অস্ত্র, দামি গাড়ি আর অসম্ভব দক্ষতা—পর্দায় দীর্ঘদিন ধরে এমনই এক ধারণার সঙ্গে পরিচিত দর্শক। কিন্তু ‘স্লো হর্সেস’ সেই পরিচিত ধারণাকে উল্টে দিয়েছে। এই সিরিজের গুপ্তচরেরা ভুল করে। তাঁরা ব্যর্থ হন, অফিসের রাজনীতিতে হারেন, নিজেদের জীবনও ঠিকঠাক সামলাতে পারেন না। ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৫-এর মূল দপ্তরে তাঁদের জায়গা হয়নি। বরং ভুলের শাস্তি হিসেবে তাঁদের পাঠানো হয়েছে একধরনের ‘ডাম্পিং গ্রাউন্ডে’। সেখানকার এই তথাকথিত ব্যর্থ গুপ্তচরদের বলা হয়—স্লো হর্সেস। এবার আবারও ফিরছে তাঁদের গল্প। ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে অ্যাপল টিভিতে মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রশংসিত গুপ্তচর সিরিজটির ষষ্ঠ মৌসুম। নতুন মৌসুমে থাকবে ছয়টি পর্ব। প্রথম পর্বের পর প্রতি সপ্তাহে একটি করে নতুন পর্ব মুক্তি পাবে, চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। সিরিজটির প্রধান চরিত্রে আগের মতোই আছেন গ্যারি ওল্ডম্যান। নতুন মৌসুমের গল্প আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তিগত। এবার দলের সদস্যরা এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়ছেন, যেখানে তাঁরা শুধু রাষ্ট্রকে রক্ষা করার দায়িত্বে নেই—নিজেদেরও বাঁচাতে হবে।
‘নেগলি’, প্রাইম ভিডিও
জ্যাক রিচার যেন একাই এক শ। বিশালদেহী, ভয়ংকর শক্তিশালী, অসাধারণ পর্যবেক্ষণক্ষমতা আর অপরাধীদের বিরুদ্ধে আপসহীন—‘রিচার’ সিরিজের সাফল্যের বড় কারণ এই চরিত্র। তবে রিচারের জগতে এমন কিছু চরিত্র আছে, যারা পর্দায় কম সময় থেকেও দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সেস নেগলি। রিচারের সাবেক সামরিক সহকর্মী, দক্ষ তদন্তকারী এবং সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুদের একজন নিগলি এবার আর কারও সহযোগী চরিত্র নন। এবার গল্পের কেন্দ্রেই তিনি। ‘রিচার’–এর জগৎ থেকে তৈরি প্রথম স্পিন-অব সিরিজটি ১৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে। আট পর্বের সিরিজটির কেন্দ্রীয় চরিত্র নেগলি। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১১০তম স্পেশাল ইনভেস্টিগেশনস ইউনিটে জ্যাক রিচারের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় থেকেই দুজনের মধ্যে তৈরি হয়েছিল গভীর বিশ্বাসের সম্পর্ক। রিচারের মতো নিগলিও অত্যন্ত দক্ষ তদন্তকারী। তবে তাঁদের কাজের ধরনে পার্থক্য আছে। রিচার অনেক সময় সমস্যার সমাধান করেন নিজের প্রবল শারীরিক শক্তি দিয়ে। অন্যদিকে নিগলির সবচেয়ে বড় অস্ত্র তাঁর পর্যবেক্ষণক্ষমতা, তদন্তের দক্ষতা এবং ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি বিশ্লেষণের ক্ষমতা। তাই রিচারের ছায়ায় থেকেও নেগলি বরাবরই ছিলেন স্বতন্ত্র এক চরিত্র। এবার সেই চরিত্রের নিজের গল্প দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকেরা। ফ্রান্সেস নিগলি চরিত্রে দেখা যাবে মারিয়া স্টেনকে। সিরিজটির বড় আকর্ষণ অতিথি চরিত্রে রিচার ওরফে অ্যালান রিচসনের উপস্থিতি।

‘ব্যাকরুমস’, এইচবিও ম্যাক্স
ইন্টারনেটের অদ্ভুত এক ভয়—ব্যাকরুমস। পরিচিত পৃথিবীর বাইরে যেন অসীম, হলুদ দেয়ালের এক গোলকধাঁধা, যেখানে মানুষ ঢুকে গেলে বের হওয়ার পথ খুঁজে পায় না। সেই জনপ্রিয় ‘লিমিনাল স্পেস’ ধারণা থেকেই তৈরি হরর সিনেমা ‘ব্যাকরুমস’। চলতি মাসে ছবিটি স্ট্রিমিংয়ে আসছে এইচবিও ম্যাক্সে। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেখা যাবে সিনেমাটি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা কেন পারসনস। তাঁরই তৈরি জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজের ভিত্তিতে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। চিত্রনাট্য লিখেছেন উইল সুডিক। অভিনয়ে আছেন চিওয়েটেল এজিওফোর, রেনাতে রেইনসভে, মার্ক ডুপ্লাস, ফিন বেনেট ও লুকিটা ম্যাক্সওয়েল।
গল্পের শুরু একটি আসবাবের দোকানের বেজমেন্টে হঠাৎ দেখা দেওয়া রহস্যময় দরজা দিয়ে। দরজার ওপারে রয়েছে বাস্তবতার বাইরের এক বিশাল, আন্তসংযুক্ত কক্ষের জগৎ। সেখানে সময়ের স্বাভাবিক নিয়মও যেন কাজ করে না। আর সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়—এই অন্ধকার গোলকধাঁধায় কেউ একা নয়; অজানা কোনো সত্তা যেন সব সময় তাদের অনুসরণ করছে।
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ছবিটি প্রত্যাশার চেয়েও বড় সাফল্য পেয়েছে। প্রায় ৩৩ কোটি ডলার বাজেটের তুলনায় আয় করেছে ৩৩ কোটি ডলারের বেশি—এবং পরে এটি এ২৪-এর সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমা হিসেবে ‘মার্টি সুপ্রিম’কেও ছাড়িয়ে যায়।

‘মিশন ডিডিএলজে’, আইস্ক্রিন
নব্বই দশকের প্রেমের গল্প এই সময়ের আবহে তুলে ধরা হয়েছে এই ওয়েব সিনেমায়। ‘মিশন ডিডিএলজে’ (ধ্রব দিয়াস লাভ জার্নি) নির্মাণ করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর। নির্মাতা জানান, এটি মূলত একটি রোমান্টিক কমেডি ঘরানার ওয়েব ফিল্ম। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাওভী ও লাবণ্য চৌধুরী। আরও রয়েছেন মাসুদ মহিউদ্দিন, স্বপ্না শেখ, শারমিন সুলতানা শর্মী, সাদিয়া ইসলাম জুই, আরমান মাহমুদ, শওকত শোভন। নির্মাতা জানান, সিনেমাটির মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের দর্শকদের কাছে নব্বই দশকের প্রেমের গল্পের আবহ ও অনুভূতিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। ৮০ মিনিটের সিনেমাটি চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে মুক্তি পাবে।
বিবিসি, ভ্যারাইটি ও আইএমডিবি অবলম্বনে