ময়মনসিংহে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন স্বামী। আহত স্বামী-স্ত্রী দুজনই বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিকে ভালুকা উপজেলার কুল্লাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন- কুল্লাবর গ্রামের মৃত আইনুল্লাহর ছেলে জসিম উদ্দিন (৬৫) ও তার স্ত্রী পারুল বেগম (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জসিম উদ্দিনের সঙ্গে তার স্ত্রী পারুল বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। জসিমের সন্দেহ ছিল, তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে স্ত্রী পারুল বেগমের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কথা-কাটাকাটি ও বিরোধ হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার দুপুরে বসতঘরের ভেতর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জসিম উদ্দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী পারুল বেগমের গলায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে একই অস্ত্র দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন জসিম উদ্দিনও।
বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন বলেন, ভালুকার কুল্লাবর গ্রাম থেকে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, দুপুরের দিকে কুল্লাবর গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর দুজনকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।
হোসাইন সুলভ/কেজে/এএসএম