বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও ‘মহানায়ক’ বুলবুল আহমেদের শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার, সম্মাননা ও ব্যবহৃত সামগ্রী সংরক্ষণ করা হবে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে। তার জন্মদিন উপলক্ষে এসব স্মারক সংরক্ষণের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বুলবুল আহমেদের স্ত্রী ডেইজি আহমেদ ও মেয়ে তিলোত্তমা বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবালের কাছে তার শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা হস্তান্তর করেন।
আরও পড়ুন
কতোটা হিট নায়ক ছিলেন রুবেল, আক্ষেপ করে জানালেন ওমর সানী
দেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিতে বুলবুল আহমেদের অসামান্য অবদানের স্মারক হিসেবে এসব পুরস্কার ও সামগ্রীকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে সংরক্ষণ করতেই পরিবারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতি বছর ৪ সেপ্টেম্বর বুলবুল আহমেদের জন্মদিন ঘিরে পরিবার, সহকর্মী ও অনুরাগীদের নানা আয়োজন থাকে। তবে এ বছর বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব না হলেও তার দীর্ঘ শিল্পীজীবনের অর্জনগুলো বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়ামে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার।
বুলবুল আহমেদের বড় মেয়ে তিলোত্তমা বলেন, ‘বাবার শিল্পীজীবন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মও যেন জানতে ও বুঝতে পারে এজন্যই তার স্মৃতি ও কর্মগুলো সংরক্ষণ জরুরি। সেদিক বিবেচনা করেই আমরা সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। ফিল্ম আর্কাইভকে ধন্যবাদ দেশের গুণিদের স্মৃতি ও শিল্পের প্রতি আন্তরিক হওয়ার জন্য।’
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এসব স্মারক উন্মুক্ত রাখার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের মহানায়কের জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে চায় তার পরিবার। তার ব্যবহৃত সামগ্রী ও অর্জিত সম্মাননা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন চলচ্চিত্র অনুরাগীরাও।
আরও পড়ুন
মহানায়ক উত্তম কুমারের সেই ঘটনা আজও অবাক করে
বুলবুল আহমেদ শুধু জনপ্রিয় অভিনেতাই ছিলেন না, বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন। তার অভিনয় ও শিল্পীজীবনের নানা স্মারক বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত হলে তা দেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিবারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে বুলবুল আহমেদের কর্ম ও কীর্তি আগামী প্রজন্মের কাছে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বেঁচে থাকবে।
এলআইএ