রাজধানীর সবুজবাগে স্বামীকে ঘুমন্ত অবস্থায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী রেহেনা আক্তারের (৪০) বিরুদ্ধে। হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে নিজেই বিষয়টি জানান এবং পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহ ও স্বামীর অন্য নারীদের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন রেহেনা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকা থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে হত্যার কথা জানান ওই নারী।
ওই নারীর ফোনের বরাত দিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পুলিশ পরিদর্শক ও গণমাধ্যম-জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার বলেন, আগের রাতে তার স্বামী মাহফুজুর রহমান (৪০) ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। এ সময় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। ফোন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সবুজবাগ থানাকে জানানো হয়।
তিনি বলেন, কলটি রিসিভ করেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল আরিফ হোসেন। পরে সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে বিষয়টি তদারকি ও সমন্বয় করেন ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপাচার এসআই আওলাদ হোসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত রেহেনা আক্তারকে গ্রেফতার করে সবুজবাগ থানার একটি দল।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক কলহ এবং স্বামীর অন্য নারীদের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন রেহেনা। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
টিটি/এমএএইচ/