
ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রয়াত সদস্য প্রিন্সেস ডায়ানাকে নিয়ে বই প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তাঁর ছোট ভাই চার্লস স্পেন্সার। ডায়ানার জীবন, তাঁর সঙ্গে ভাইয়ের সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগের শেষ সপ্তাহের নানা স্মৃতি উঠে আসবে বইটিতে।
সোয়ান সং: ডায়ানা, মাই সিস্টার নামের বইটি যুক্তরাজ্যে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হবে। প্রকাশক মাইকেল জোসেফের ভাষ্য অনুযায়ী, এই বইয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ডায়ানাকে নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে নিজের স্মৃতি ও ভাবনা প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন স্পেন্সার।
ডায়ানার মৃত্যুর ৩০ বছর পূর্তি সামনে রেখে বইটি প্রকাশ করা হচ্ছে। ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট প্যারিসে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান প্রিন্সেস ডায়ানা। তাঁর মৃত্যুর পর ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে ভাই চার্লস স্পেন্সার আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছিলেন।
বই প্রকাশের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্পেন্সার জানিয়েছেন, ডায়ানার ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী সামনে আসায় তাঁকে আবারও বোনকে নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য নানা অনুরোধ করা হচ্ছে। বিষয়টি তাঁকে নিজের স্মৃতি ও ভাবনাগুলো একবারে লিখে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করেছে।

চার্লস স্পেন্সার আশা করছেন, যাঁরা ডায়ানাকে জীবিত অবস্থায় দেখেছেন ও তাঁর স্মৃতি এখনো ধরে রেখেছেন, তাঁরা বইটি উপভোগ করবেন। পাশাপাশি যেসব তরুণ ডায়ানার জনপ্রিয়তার সময়টি দেখেননি, বইটি পড়ে তাঁরাও যেন বুঝতে পারেন, ডায়ানা আসলে কেমন মানুষ ছিলেন।
স্পেন্সারের ভাষায়, সময়ের সঙ্গে ডায়ানাকে নিয়ে অনেক মতামত ও বক্তব্য প্রচলিত হয়েছে, যার কিছু তাঁর মতে সত্য নয়। তাই অন্যদের মতামত পড়ার অস্বস্তির বদলে এবার তিনি নিজের দেখা ও জানা ডায়ানার গল্প নিজেই বলতে চেয়েছেন।
স্পেন্সারের দাবি, বইটির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ভাইয়ের দৃষ্টিতে ডায়ানার সত্যিকারের পরিচয় তুলে ধরা। বোনের শেষকৃত্যে দেওয়া বক্তব্যের মতো এবারও তিনি ডায়ানার পক্ষে ইতিবাচকভাবেই কথা বলতে চান।
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বইটিতে এমন কিছু তথ্য ও স্মৃতি রয়েছে, যা পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি করবে। একই সঙ্গে এটি প্রিন্সেস ডায়ানার প্রতি একটি আবেগঘন শ্রদ্ধার্ঘ্যও হয়ে উঠবে।
চার্লস স্পেন্সার আশা করছেন, যাঁরা ডায়ানাকে জীবিত অবস্থায় দেখেছেন ও তাঁর স্মৃতি এখনো ধরে রেখেছেন, তাঁরা বইটি উপভোগ করবেন। পাশাপাশি যেসব তরুণ ডায়ানার জনপ্রিয়তার সময়টি দেখেননি, বইটি পড়ে তাঁরাও যেন বুঝতে পারেন, ডায়ানা আসলে কেমন মানুষ ছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
গ্রন্থনা: রবিউল কমল