‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’-এই স্লোগানে সরকার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে মাসে ১ লাখ টাকা করে প্রদান শুরু করেছিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আরও ২০০ জন যোগ করে প্রতি মাসে ভাতা প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয় ৫০০ জনকে। ক্রীড়া ভাতার জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬০ কোটি টাকা এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জন্য ১৪০ কোটি অর্থাৎ ২০০ কোটি টাকা ‘নন-এডিপি স্কিম’ খাতে বরাদ্দ করা হয়েছিল।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রীড়া ভাতার জন্য ‘নন-এডিপি স্কিম’ খাতে বরাদ্দকৃত ক্রীড়া ভাতার ৬০ কোটি টাকা এবং পরবর্তী ৪ অর্থবছরের জন্য আরও ২৪০ কোটি অর্থাৎ মোট ৩০০ কোটি টাকার কর্মসূচির প্রস্তাব যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। যেখানে সমস্যাটা তৈরি হয়েছে। অর্থ বিভাগ পরামর্শ দিয়েছে কর্মসূচি পাঁচ বছরের পরিবর্তে এক বছরের করতে। সেই মোতাবেক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ৫ বছরের পরিবর্তে ১ বছরের জন্য কর্মসূচি তৈরি করে আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক সংশোধিত ১ বছরের কর্মসূচির প্রস্তাব এবং ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক প্রেরিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭’-এর জন্য ১৪০ কোটি টাকার কর্মসূচি অর্থাৎ একত্রে মোট ২০০ কোটি টাকার কর্মসূচি গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অর্থ বিভাগের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বলছে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা জুলাই ২০২৬ মাস হতে প্রদানের কথা থাকলেও এটি যেহেতু মন্ত্রণালয়ের বাজেটে সরাসরি বরাদ্দ প্রদান না করে নন-এডিপি স্কিম খাতে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে, কাজেই এই বিষয়ে কর্মসূচি গ্রহণপূর্বক তা অর্থ বিভাগ কর্তৃক অনুমোদন প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে সেপ্টেম্বরের আগে ভাতা পরিশোধের সুযোগ নেই।
তবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই আশ্বাস দিয়েছে, ভাতা প্রাপ্ত জাতীয় দলের খেলোয়াড়গণ সংশোধিত কর্মসূচিটি অনুমোদিত হলে জুলাই ২০২৬ হতে তাদের বকেয়াসহ নিয়মিত টাকা পাবেন।
আরআই/এমএমআর