ইংল্যান্ড সফরে দুই টেস্টে হারার পর ৭ খেলোয়াড়কে দেশে পাঠিয়েছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট। এমনকি বরখাস্ত করা হয়েছে দুই কোচকেও। তবে সব সমস্যার মূলে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান আকিব জাভেদকে দোষারোপ করেছেন দেশটির সাবেক কোচ জেসন গিলেস্পি।
গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের সাবেক এই কোচ মন্তব্য করেন, আকিব জাভেদের উচিত ‘আয়নায় নিজেকে দেখা।’
অস্বাভাবিক আব আকস্মিক এক সিদ্ধান্তে টেস্ট দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও পেস বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি দেশে পাঠানো হয়েছে টেস্ট স্কোয়াডের ৭ সদস্যকেও।
২০২৪ সালে প্রায় আট মাস পাকিস্তানের কোচের দায়িত্বে থাকা গিলেস্পি বলেন, ‘আমার খেলোয়াড়দের জন্য খারাপ লাগছে। এটাই তাদের জীবিকা। বাইরে থেকে মনে হচ্ছে, তারা ভয় নিয়ে খেলছে।’
তিনি বিশেষভাবে সালমান আলি আগার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অধিনায়কত্ব করার পর দ্বিতীয় টেস্টে দল থেকে বাদ পড়লেন, এরপর তৃতীয় টেস্টের আগেই তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। এটা কীভাবে হয়?’
এরপর আকিব জাভেদের সমালোচনা করে গিলেসপি বলেন, ‘বিশেষ করে আকিব জাভেদের অধীনে তাদের কোনো নির্বাচনী কৌশলই নেই, এটা বেশ পরিষ্কার। তারা প্রতিদিন নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলায়।’
আকিব সম্প্রতি পাকিস্তানের সাদা বলের সাবেক কোচ গ্যারি কারস্টেন ও গিলেস্পিকে দলের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছিলেন বলেও জানান গিলেস্পি।
গিলেসপির দাবি, আকিব জাভেদ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে। তার ভাষায়, ‘নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকা আকিব জাভেদ ও খেলোয়াড়দের মধ্যে যে কোনো যোগাযোগ নেই, সেটা পরিষ্কার। যেসব খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হয়েছে, তারা পরিবার, বন্ধু ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছে যে তাদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা কতটা অসম্মানজনক!’
পাকিস্তানের আরও কয়েকজন সাবেক কোচ ও ক্রিকেটারও সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব মালিকও তাদের মধ্যে রয়েছেন।
সাবেক কোচ মিকি আর্থার পুরো ঘটনাকে ‘একেবারেই হাস্যকর পরিস্থিতি’ বলে মন্তব্য করেছেন।
আইএন