গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির (জিডি ট্রফি) প্রথম দেখায় নির্বাচক, বোর্ড সভাপতি ও পরিচালকদের সামনে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে হারিয়ে দিয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে দ্বিতীয়বারের দেখায় সেই হারের প্রতিশোধ তুলে নিয়েছে বড় ভাইরা। আর এই জয়ে জিডি ট্রফির ফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
আগে ব্যাটিং করে ১৮৯ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ১১১ বল হাতে রেখেই জয় পায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ৭৬ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন আজিজুল হাকিম তামিম।
রান তাড়ায় আদিল বিন সিদ্দিক এবং আজিজুল হাকিম তামিমের ব্যাটে ভর করে উড়ন্ত সূচনা পায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১৩০ রান। আদিল ৭৪ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর কালাম সিদ্দিকী অলিনকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন তামিম। ৭৯ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তামিম। ৪০ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন অলিন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করে নামা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের শুরুটাও ভালো হয়েছিল। জারিফ সিয়াম এবং কাওসার আহমেদের ওপেনিং জুটিতে স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৬৫ রান। ১৭তম ওভারে স্বাধীনের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে কাওসার ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
এরপর আহসান আল মুমিনকে সঙ্গে নিয়ে ৩৩ রানের জুটি গড়েন জারিফ। প্রথম ম্যাচে ৯৯ রান করার পর এবার টানা দুই ফিফটি করলেন জারিফ। ফেরার আগে ৫৬ রান করেন তিনি। তার ৭১ বলের ইনিংসে ছিল পাঁচ চার ও এক ছয়।
এরপর রাকিবুল হাসান, ফরিদ হাসান ফয়সাল ও রাকিব খান দ্রুত ফিরলে মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। এতে ১২৭ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।
এরপর উইকেটে সেট হওয়া মুমিনের দিকেই তাকায় ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে তিনিও দলকে বিপদে রেখে ফিরে যান। তার ৪৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে ছিল এক ছয়।
শেষদিকে শাকিল খান ও মেহেরাব হাসান সিজান দলের রান দুইশর কাছাকাছি নিয়ে যান। ১৫ রান করেন শাকিল আর ৩৬ বলে দুইটি করে চার ও ছয়ে করেন অপরাজিত ৩৩ রান আসে সিজানের ব্যাট থেকে।
অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে পেসার মহিউদ্দিন তারেক ৩৬ রানে নেন ২ উইকেট।
এসকেডি/এমএমআর