বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের পর ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এক ঐতিহাসিক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। এই ভাষণটিও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ইতিহাস বিকৃতি তথা গোঁজামিলের ইতিহাস বন্ধে তা জানা দরকার। মওলানা ভাসানী পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়, তিক্ততা বাড়িয়ে লাভ নেই… (“লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়াদীন”—তোমার ধর্ম তোমার, আমার ধর্ম আমার)।’ তিনি তাঁর ভাষণে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘বাঙালিদের শেখ মুজিবের ওপর বিশ্বাস রয়েছে।’ প্রকান্তরে তিনি বঙ্গবন্ধু ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
মোট কথা, ১৯৭১ সালের মার্চ মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে, যেমন:
মার্চ ১: জেনারেল ইয়াহিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার পর পুরো পূর্ব পাকিস্তানে সৃষ্ট জনরোষ তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের জন্ম দেয়; স্টেডিয়ামে চলমান পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশের খেলাটি পরিত্যক্ত হয়।
মার্চ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কর্তৃক বেসরকারিভাবে সবুজ, লাল এবং সোনালি পতাকা উত্তোলন।
মার্চ ৩: শেখ মুজিবুর রহমানের পূর্ব প্রদেশব্যাপী অসহযোগের ডাক; সরকারি প্রশাসন আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে।
মার্চ ৭: রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসমুদ্রে দেওয়া ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকঠিন ঘোষণা, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
মার্চ ১৫–২৪: শেখ মুজিবের সঙ্গে ইয়াহিয়া ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর আলোচনা এবং এর ফাঁকে পূর্ব পাকিস্তানে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন।
মার্চ ২৫: পাকিস্তানের সামরিক শক্তি ‘অপারেশন সার্চলাইট’ আরম্ভ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ এবং গণহত্যা শুরু।
মার্চ ২৬: গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
মার্চ ২৭: চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেডিও স্টেশন থেকে মেজর জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
ছোট কাকা সিদ্ধান্ত নিলেন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন, আমার আব্বার সিদ্ধান্তও তাই। আব্বার সিদ্ধান্তে আমি হকচকিত হলাম, কারণ জনমভর তাঁকে দেখেছি শেরওয়ানি গায়ে, লিয়াকত টুপি মাথায়। কখনো খুব একটা বিপ্লবী কথাবার্তা বের হয়নি মুখ থেকে। হয়তো তিনি কবি নজরুলের ‘আমার কৈফিয়ত’ কবিতার ‘দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি’—একদিন ঘুম থেকে উঠে শুনি, দুই ভাই খসরু মামার সঙ্গে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছেন।
এক.
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ১৫–২৪ তারিখ মুহসিন হলে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছি। একের পর এক গগনবিদারী স্লোগানে প্রকম্পিত মুহসিন হলের নিচতলা। মিছিল পেরোলেই হলটি মৃত্যুপুরীর রূপ ধারণ করত। সেই সময়টিতে হলে অবস্থানরত ছাত্রের সংখ্যা ছিল খুবই কম, সুনসান নীরবতার চাদরে আচ্ছাদিত পুরো হল।
একদিন আমরা জনা চারেক এক বন্ধুর রুমে বসে আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি, ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় রত। হঠাৎ চাউর হলো, ইপিআর মুহসিন হল রেইড করতে আসছে। আমরা হলের উত্তর দিকে বস্তি-লাগোয়া দেয়ালের ওপর কাঁটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে কোনোমতে বের হলাম। সারারাত বাইরে কাটিয়ে সকালে নিউমার্কেটে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে।
কিন্তু দিন যত যায়, অনিশ্চয়তা ততই বাড়তে থাকে, মিছিলের বহর খাটো হয়ে আসে। নিগূঢ়তায় আচ্ছন্ন হতে থাকি, খানিকটা ভীতসন্ত্রস্তও। ২৪ মার্চ ভাবলাম, নাখালপাড়ায় ছোট কাকার বাসায় গিয়ে পরিস্থিতি বুঝে আসি।
এই মুহূর্তে আমার ছোট কাকা এম. সামসুল হককে পরিচয় করিয়ে দেওয়া দরকার। তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস দিয়ে পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে—সম্ভবত বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত অফিসার ছিলেন। ঢাকা মেডিক্যালে ছাত্রাবস্থা থেকেই এলাকার জনসেবায় লিপ্ত থাকতেন। সুযোগ পেলেই রিক্রুটিং মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে তৎকালীন পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বাহিনীতে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানিদের প্রচুর সাহায্য করতেন।
ছোটকাল থেকে শুনতাম, কাকা পশ্চিম পাকিস্তানে আছেন, চাচি এবং সন্তানেরা দেশের বাড়িতে। খুব সম্ভবত বছরখানেক আগে বদলি হয়ে ঢাকা এসেছেন। অনুমান করি, তাঁর অফিসটা এশিয়াটিক সোসাইটির আশপাশে কোনো এক জায়গায় ছিল। মুহসিন হল থেকে দু-একবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতেও গেছি এবং স্বভাবসুলভ হাসিমুখে চা-শিঙাড়া খাইয়ে দেশের ও দশের খোঁজখবর নিতেন।
আর একটা ব্যাপার ছিল, আমার অগোচরে তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে ফিসফাস করা। এবং সেটা যে পূর্ব-পশ্চিম বৈষম্যবিরোধী তথা চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে, সে সম্পর্কে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না।
তো, ২৪ মার্চ পড়ন্ত বিকেলে পুরোনো সংসদ ভবনের পেছনে অবস্থিত তাঁর নাখালপাড়ার বাসায় গেলাম। তাঁকে দেখে মনে হলো একটু অন্যরকম—আনমনা, বিষণ্ণ চেহারা, গভীর চিন্তায় নিমগ্ন। আগে হলে আমাকে দেখে সাধারণত হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানাতেন, বসতে বলতেন কিংবা আব্বা-আম্মার কুশলাদি জানতে চাইতেন। কিন্তু এবার ওসব কিছুই না। সরাসরি বললেন, দেশের অবস্থা ভালো না, ইয়াহিয়া–মুজিব সংলাপ ফেল, অনেক গণ্ডগোল হতে পারে, হলে থেকে কী লাভ…। তোর দাদার শারীরিক অবস্থা নাকি খুব খারাপ, তুই বরং গ্রামে চলে যা—ইত্যাদি বাক্য বর্ষণ বিষণ্ণ বদনে।
আমি ২৫ মার্চ খুব সকালে সুগন্ধি গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হই।
আমার বড় কাকা আলী আহমদ মাস্টারের একটা রেডিও ছিল। কাকা বললেন, আজ রাতে ইয়াহিয়া খান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। সন্ধ্যার পর কাকার ঘরে রেডিওতে শুনলাম, সমস্ত দোষ শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপরাধে কঠোর পদক্ষেপের কথা। অর্থাৎ, আর কোনো আলোচনা নয়—‘অপারেশন সার্চলাইট’।
২৭ মার্চ স্থানীয় সটাকি বাজারে ক্যারম খেলা অবস্থায় একটা রেডিওতে ঘোষণা ভেসে এল—যদি শুদ্ধ শুনে থাকি, এরকম—‘আমি মেজর জিয়া... আমাদের মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি…।’
দুই.
মুমূর্ষু পিতার খবর পেয়ে কয়েক দিনের মধ্যে ছোট কাকা ঢাকায় পরিবার রেখে ছুটে এলেন সুগন্ধি গ্রামের বাড়িতে। কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে এলেন আমার আব্বা-আম্মাও। এরই মধ্যে দাদা মারা গেলেন।
একদিন কাকা বললেন, ‘আমার মনে হয় আর ঢাকা যাওয়া হবে না রে, তুই বরং একটা কাজ কর—তোর চাচি আম্মাকে বাড়ি নিয়ে আয়। স্কোয়াড্রন লিডার কাফি চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে আমার কথা বলিস...।’
পরের দিন সকালে দুরদুর বুকে ঢাকায় গেলাম। আতঙ্কগ্রস্ত লঞ্চের অন্যান্য যাত্রীরাও—যাচ্ছেন বটে, ফিরে আসতে পারবেন কি না সে সন্দেহের ভাঁজ কপালে স্পষ্ট। কচুরিপানায় আবিষ্ট অনেক লাশ নদীর দুপাশে ভাসছে। ‘কই, দেখি দেখি’ বলে এদিক-ওদিক দেখছেন যাত্রীরা।
নারায়ণগঞ্জ নেমে ঢাকা গেলাম। ট্যাংক, বারুদের গন্ধ আর আতঙ্কিত মানুষের ছুটাছুটি—ঢাকাকে মনে হলো একটা অচেনা শহর। দোয়া-কালাম পড়তে পড়তে উপস্থিত হলাম নাখালপাড়ার বাসায়। চাচি-আম্মার গোছগাছের সময় কাফি চৌধুরীর বাসায় ঢুঁ মারলাম। আক্কেলমন্দ কি—ইশারায় কাফি আকারে-ইঙ্গিতে বুঝে নিলেন, ছোট কাকা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন—যে মুক্তিযুদ্ধ তিনিও চেয়েছিলেন।
যাই হোক, নাখালপাড়ায় ফিরে সবাইকে নিয়ে রাতে সুরেশ্বরের লাইনের লঞ্চ মাঝনদীতে থামিয়ে নৌকায় করে সুগন্ধি পৌঁছেছিলাম।
ছোট কাকা সিদ্ধান্ত নিলেন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন, আমার আব্বার সিদ্ধান্তও তাই। আব্বার সিদ্ধান্তে আমি হকচকিত হলাম, কারণ জনমভর তাঁকে দেখেছি শেরওয়ানি গায়ে, লিয়াকত টুপি মাথায়। কখনো খুব একটা বিপ্লবী কথাবার্তা বের হয়নি মুখ থেকে। হয়তো তিনি কবি নজরুলের ‘আমার কৈফিয়ত’ কবিতার ‘দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি’—একদিন ঘুম থেকে উঠে শুনি, দুই ভাই খসরু মামার সঙ্গে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছেন।
কাকা মেজর জেনারেল পদোন্নতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম ডিজিএমএস, ১৯৮২ সালের ওষুধনীতির অন্যতম প্রবক্তা, মন্ত্রী হিসেবে নয় বছর দায়িত্ব পালন করেন।
তিন.
দীর্ঘ নয় মাস বেশিরভাগ সময় নিজের গ্রামে কাটিয়েছি। আমি, চাচাতো ভাই মোমেনুল হক এবং খালাতো ভাই আবদুল্লাহ হেল বাকি মতলব-উত্তর চষে বেড়িয়েছি মুক্তিযোদ্ধাদের খবরাখবর সংগ্রহ এবং তাঁদের পারলে সাহায্য করতে। শুনেছিলাম, বেশ কয়েক মাইল দূরে বামনচক হান্নান সরকারের বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের আগমন ঘটত। আমরা মাঝেমধ্যেই সেখানে যেতাম, মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দিন বাবরকে নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে উঠান-বৈঠকে যোগ দিয়েছি। এমনকি স্থানীয় ইমামপুর স্কুলে বর্ষাকালে এক মুক্তিযোদ্ধার দেওয়া প্রশিক্ষণে যোগ দিয়ে গ্রেনেড চালানো শিখেছিলাম।
এই নয় মাসে আম্মার গুপ্ত থাকা ঝুলি থেকে চুপিসারে টাকা নিতাম। ধরা পড়ে গেলে আম্মা বললেন, ‘যুদ্ধ কবে না কবে শেষ অইব, তুই এমনে খরচ করলে অইব?’
এই সময়টিতে আমি সমাজতন্ত্রের চেতনায় উদ্বুদ্ধ এক তরুণ। সুকান্ত ও নজরুলের কবিতা আওড়াই, করোটিতে চে গুয়েভারা, গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, চোখে বিপ্লবের বহ্নিশিখা বয়ে বেড়াই।
একজন বিজ্ঞ লোকের মতো বললাম, কিছুদিনের মধ্যে দেশ স্বাধীন হলে ‘সমাজতন্ত্র’ আসবে, আম্মা, কারও ব্যক্তিসম্পদ থাকবে না, থাকলেও সরকার নিয়ে যাবে। দেশের সম্পদ হবে সবার। ‘সুতরাং নো চিন্তা, ডু ফুর্তি’ বলে বাজারের দিকে পা বাড়াতেই কানে এল, বদনা হাতে অজুরত আমার কথার পিঠে উত্তরে আম্মা বলেছিলেন, ‘সবারটা থাকবো, কেবল তোরটাই থাকব না; ধনীর ধন কেউ নিব না, গরিব গরিবই থাকব কইলাম, দেহিস।’
বাকি ইতিহাস রুপালি পর্দায় নয়, বাস্তবে ধরা দেয়। এমনকি ২০২৬ সালের গণঅভ্যুত্থানে ‘বৈষম্যহীন সমাজ’ বিনির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সে কারণেই আম্মাকে বড্ড মনে পড়ে—ও মা, তোমার পরে ঠেকাই মাথা।
কে সঠিক ছিলেন—তাত্ত্বিক ছেলে না প্রায়োগিক মা—তা বিচারের ভার পাঠকের ওপর ছেড়ে দিলাম। তবে এতটুকু বলা বোধ হয় যথেষ্ট যে, দেশে ফিরেই আব্বা খবর পান, তাঁকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছে (ছিলেন কুমিল্লায়)। আব্বা মুক্তিযুদ্ধের সনদ নেননি, চাকরিতে বিশেষ সুবিধা পাননি, ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য হিমশিম খেতে হয়। ১৯৭৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এই মুক্তিযোদ্ধার অকালমৃত্যু ঘটে।
মা নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ—‘মায়ের গায়ে একটা গন্ধ থাকে। ঘামে ভেজা হোক কিংবা কোনো সুগন্ধির...। শুধু সন্তানেরাই সে গন্ধ পায়।’
পাদটীকা: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে আনন্দের আতিশয্যে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রাপ্ত গ্রেনেডটি নিজ গ্রামেই ফাটিয়েছিলাম।
(চলবে)
লেখক : অর্থনীতিবিদ, কলামিস্ট। সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীনরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
এইচআর/জেআইএম