দেশে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি থাকায় শনিবার পিক আওয়ারে (রাত ৯টা) ২ হাজার ২৫৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ১৭ মেগাওয়াট। এ সময় সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ঢাকা জোনে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বিদ্যুৎ ঘাটতির এ চিত্র দেখা গেছে।
জোনভিত্তিক লোডশেডিং ও চাহিদার তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ঢাকা জোনে। এ সময়ে ঢাকায় লোডশেডিং ছিল ৭৫৯ মেগাওয়াট। এ জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬ হাজার ১৮২ মেগাওয়াট।
লোডশেডিংয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা। সেখানে ২৬২ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, চাহিদা ছিল ২ হাজার ৫৬ মেগাওয়াট। কুমিল্লা জোনে ২৩৮ মেগাওয়াট এবং ময়মনসিংহে ২৩৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। এসব জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৬৭২ ও ১ হাজার ৪১৭ মেগাওয়াট।
আরও পড়ুন
এক উপজেলার চাহিদার সমান বিদ্যুৎ গিলছে ১২ হাজার অটো
এছাড়া, রাজশাহী জোনে ২০৪ মেগাওয়াট, চট্টগ্রামে ১৭৭ মেগাওয়াট, রংপুরে ১৪২ মেগাওয়াট, সিলেটে ১৩৬ মেগাওয়াট এবং বরিশাল জোনে ১০৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টার পিক আওয়ারে মোট ১৭ হাজার ১৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ২ হাজার ২৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল।
সম্প্রতি গ্যাস সরবরাহ সংকট, কয়লা সরবরাহ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার কারণে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ার খবর এসেছে।
এনএস/এএমএ