নতুন কোচ, নতুন দল, নতুন করে সাজানো ম্যানচেস্টার সিটি- তবে গোল করার জায়গায় আরলিং হালান্ড সেই পুরোনো জায়গাতেই রয়েছেন। নরওয়ের এই গোলমেশিনের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম গোল করলেন। তার গোলেই জয় নিশ্চিত করেছে সিটি। শনিবার সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা কভেন্ট্রিকে ১-০ গোলে হারানোর ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন নরওয়েজিয়ান এই তারকা।
গত মৌসুমের তুলনায় ম্যানসিটি এবার পুরোপুরি পরিবর্তিত। ক্লাবের এত বড় পরিবর্তনের মাঝেও দলের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার জায়গাটি যে হালান্ড, সেটিই যেন আবারও প্রমাণ করলেন তিনি। ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৬ মিনিটে হেডে গোল করে কভেন্ট্রির বিপক্ষে সিটির জয়ের নায়ক হন ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
এটি হালান্ডের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম গোল। মোল্ডে, রেড বুল সালজবুর্গ, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মাত্র ৩৮৪ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।
ক্লাব ফুটবলে ৩০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে হালান্ডের লেগেছে ৩৮৪ ম্যাচ। এ দৌড়ে তার চেয়ে দ্রুত ছিলেন কেবল লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি ৩৬৫ ম্যাচে ৩০০ ক্লাব গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন।
তবে হালান্ড ছাড়িয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপে ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। এমবাপে ৩৯৮ ম্যাচে এবং রোনালদো ৪৯৯ ম্যাচে পৌঁছেছিলেন ৩০০ ক্লাব গোলের মাইলফলকে।
অর্থাৎ, আধুনিক ফুটবলের তিন মহাতারকার সঙ্গে তুলনায়ও গোল করার গতিতে হালান্ড কতটা ভয়ংকর, এই পরিসংখ্যানই তার প্রমাণ।
তবে নিজের ৩০০তম গোল করেও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন হালান্ড। ম্যাচ শেষে ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বরং আক্ষেপ করেছেন, আরও গোল করে ম্যাচটি আগেই শেষ করে দিতে পারেননি।
হালান্ড বলেন, ‘ম্যাচ শেষ করে দিতে আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা করতে পারিনি। তাই দলকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছি এবং শেষ পর্যন্ত কভেন্ট্রিকে ম্যাচে টিকে থাকার সুযোগ দিয়েছি। প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে কাজটা কঠিন হয়ে যায়।’
এই ম্যাচে গোলটি ছিল চলতি মৌসুমে হালান্ডের তৃতীয়। আগের দুই ম্যাচেই গোল করে নিজের ছন্দে ফেরার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
আইএইচএস/