সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত ছিল অনূর্ধ্ব-২০ দল। এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের জন্য এই দলটির পেছনে বাফুফের বিনিয়োগ ও শ্রম ছিল অনেক। তবে দলটি বাফুফের নিয়ন্ত্রণে তেমন ছিল না।
ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্সের নানা কার্যকলাপেই আলোচনায় ছিল এই যুব দলটি। দলে কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। বাফুফের বাইরের একজনকে ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়ায় সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যায়। উজবেকিস্তান ও সিরিয়ার বিপক্ষে হারের পর বাফুফে ইংলিশ কোচকে বরখাস্ত করে তার সঙ্গে চুক্তিও বাতিল করে।
তাতে কি কোনো লাভ হয়েছে? এই দলটির সর্বনাশ আগেই হয়েছে কোনো শৃঙ্খলা না থাকায়। যে কোচকে আগেই বিদায় করা উচিত ছিল বাফুফের, সেই কোচকে বাফুফে বরখাস্ত করেছে দুই ম্যাচ হেরে বাছাই থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর।
জোন্সের বিদায়ের পর শেষ ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশু, আগের দুই ম্যাচে যার ঠাঁই হয়েছিল গ্যলারিতে। তবে মিশুর অধীনে যুবারা ভারতের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি। ৩-০ গোলে হেরে চার দলের মধ্যে গ্রুপে চতুর্থ হয়ে বাছাই থেকে বিদায় নিয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারী যুবারা। তিন ম্যাচে ৮ গোল হজম করলেও একবারও প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা।
ভারত প্রথমার্ধে ১-০ গোলে লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আরো দুইবার বল পাঠায় বাংলাদেশের জালে। ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ রক্ষণ ভেঙ্গে ফাঁকায় বল পেয়ে যান ড্যানি লাইশেরাম। তিনি কোনো ভুল করেননি। বাংলাদেশ গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন।
৬১ মিনিটে বিশাল যাদব গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৭৮ মিনিটে অনিকেত যাদবের গোলে ভারতের জয়ের ব্যবধান বেড়ে ৩-০ হয়। তিন ম্যাচের দুটি জিতে ভারত চূড়ান্ত পর্বে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তারা প্রথম ম্যাচে ১-০ গোলে হারিয়েছিল সিরিয়াকে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ৪-০ গোলে হেরেছিল উজবেকিস্তানের কাছে।
আরআই/আইএইচএস/