২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় গুলিতে নিহত ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রুপা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানি নিয়ে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান সুজা।
এর আগে, রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা এই হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুদ্দিন এই আদেশ দেন।
এর আগে সাধন চন্দ্র মজুমদারকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাকে তেজগাঁও থানায় দায়ের করা ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রুপাকে (২১) গুলি করে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
আরও পড়ুন
জুলাই আন্দোলন / হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্রের জামিন
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাধন চন্দ্র মজুমদারকে সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন কারওয়ান বাজার এলাকায় গুলিতে নিহত হন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় সাধন চন্দ্র মজুমদারের নাম রয়েছে।
সাবেক এই খাদ্যমন্ত্রীকে ওই বছরের ৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসন থেকে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হওয়ার পর খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সাধন চন্দ্র মজুমদার। আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুত সরকারেরও খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
এফএইচ/এমএমকে