প্রতিটি সেশন শেষে হয় খোলামেলা প্রশ্নোত্তর পর্ব। আলোচকদের সামনে ভিড় জমে যায় হাত তোলা তরুণদের। কেউ জানতে চান লেখার জন্য উপযুক্ত সময় বলে কিছু আছে কি না, কেউ প্রশ্ন করেন প্রত্যাখ্যানের ভয় কীভাবে জয় করা যায়। লেখকেরা সেসব প্রশ্নের উত্তর দেন, কখনো রসিকতায়, কখনো নিজেদের সংগ্রামের গল্পে। প্রশ্ন আর উত্তরের এই আদান-প্রদানে দিনভরের পাঠ যেন হঠাৎই ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। প্রত্যেক তরুণ মুখে তখন একটাই জিজ্ঞাসা, নিজের গল্পটাও কি একদিন এভাবে বলা যাবে?