সপ্তাহ দুয়েকেরও কম সময় বাকি এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠতে। সেই আসরে প্রথমবারের মতো জাপানের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত। ক্রিকেটের যেকোনো সংস্করণে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই দল। সেই হিসেবে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের তোচিগি প্রিফেকচারের সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।
তবে এই ঐতিহাসিক ম্যাচ সম্প্রচার নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। স্থানীয় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো ম্যাচটির জন্য অংশীদার খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে বলে জানা গেছে।
ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সম্প্রচার স্বত্ত্ব নিশ্চিতে জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (জেসিএ) আলোচনা করছে আইটিডব্লিউ ইউনিভার্সের সঙ্গে। কিন্তু সম্প্রচারক প্রতিষ্ঠানগুলো লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, টিভি সম্প্রচারের চুক্তি এখনো চূড়ান্ত না হলেও ম্যাচটি ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার হতে পারে।
ভারতের ম্যাচটি সম্প্রচারের তালিকায় আছে ফ্যানকোড অ্যাপ। পূর্বে জাপান ক্রিকেটের সঙ্গে অসংখ্যবার কাজও করেছে এই অ্যাপ। পাশাপাশি আলোচনা চলমান রয়েছে স্টার, সনি ও জি-এর সঙ্গে।
তবে সমস্যাটা আরও বড় হতে পারে নারী ক্রিকেটের সূচির কারণে। ভারতীয় পুরুষ দলের ম্যাচ শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা পর জাপানের আইচি প্রিফেকচারের নিশিন সিটির কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে অনুষ্ঠিত হবে নারী ক্রিকেটের ফাইনাল। এশিয়ান গেমসে ভারতের নারী দলই স্বর্ণপদকের অন্যতম ফেবারিট। ফলে একই সময়ে দুটি ম্যাচ সম্প্রচার করতে গিয়ে সম্ভাব্য সম্প্রচারকদের বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের দুই দিন আগে সানোতে অনুশীলনও করবে ভারতীয় দল।
লজিস্টিক জটিলতার বাইরে ঐতিহাসিক এই ম্যাচের কূটনৈতিক ও ক্রীড়াগত গুরুত্বও রয়েছে। ভারত ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি সামনে রেখে ‘স্পোর্ট ৭৫’ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে এই ম্যাচের মাধ্যমে।
সুজুকি কাপের জন্য আয়োজিত ম্যাচটি পূর্ব এশিয়ায় ক্রিকেটের বিস্তার ঘটানোর পাশাপাশি ভারত ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারতের সম্ভাব্য বিডের আগে দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রেও ম্যাচটিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আইএন