দেশে ফেরা নিয়ে ভারতীয় এক পত্রিকাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা। তবে, দেশে ফেরার নির্দেশনা দিয়ে অন্যদের বিপদে ফেলতে চান না বলে জানিয়েছেন তিনি। এ প্রেক্ষাপটে ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, আপা নাকি ডিসেম্বরে লীগের পলাতকদের দেশে ফিরতে বলবে না। মূলত, তাদের বললেও কেউ আসতো না।
তিনি আরও লেখেন, ৫ আগস্ট কীভাবে পরিবারের সবার পালানো নিশ্চিত করে বাকিদের ফেলে দিয়ে তিনি হেলিকপ্টারে চড়েছিলেন এটা কোনোমতে জান বাঁচিয়ে পালানো নিষিদ্ধ লীগের নেতাদের ভালোমতোই মনে আছে। ডিসেম্বরের হাইপ আর ন্যারেটিভ সেপ্টেম্বরেই শেষ!
এর আগে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার দেশে ফেরার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, প্রত্যেকেরই জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। তাই তিনি দেশে ফেরার নির্দেশনা দিয়ে কাউকে বিপদে ফেলতে চান না।
দেশে ফেরার আগ্রহ রয়েছে বলে জানান ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তবে দেশে ফিরলে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে তার। শেখ হাসিনার দাবি, দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেও তাকে হত্যা করা হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের নির্বাচনকে ভারতের সমর্থন এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা।
তার মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে আঞ্চলিক বোঝাপড়া গড়ে তোলাই ভবিষ্যতের জন্য জরুরি। কোনো সামরিক জোটের পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এএমএ