বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বিনিয়োগের প্রসার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয় চুক্তিটি সইয়ের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করে।
আরও পড়ুন
মন্ত্রিসভায় অনুমোদন / ৬ মাস শুল্ক-কর ছাড়ে সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানি করা যাবে
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হংকং বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও উন্মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগকারী দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে হংকংয়ের অবস্থান ষষ্ঠ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে হংকংয়ের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেছেন।
সরকার মনে করছে, প্রস্তাবিত চুক্তি দুই পক্ষের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। একই সঙ্গে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণেও এটি সহায়ক হবে। যা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
চুক্তির আওতায় উভয় পক্ষের বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে একটি কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে।
আরও পড়ুন
বড়পুকুরিয়ার কয়লায় নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
এ ছাড়া চুক্তিটি বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তাবিত চুক্তির মেয়াদ হবে ১০ বছর। তবে চুক্তি সইয়ের তিন বছর পর উভয় পক্ষ চুক্তিটি সংশোধন করতে পারবে। এ সংক্রান্ত বিধান খসড়া চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
আরএমএম/কেএসআর