তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শারমিন স্বীকার করেন, শিশু দুটির পেটের ভেতরে ইয়াবা বহন করা হচ্ছে। পরে ৬ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১টার দিকে শিশু দুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক্স-রে পরীক্ষায় তাদের পেটে ইয়াবাসদৃশ বস্তু শনাক্ত হয়।