ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে অনেকেই ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকতে চান। সেক্ষেত্রে কেউ কোচিং, কেউ ধারাভাষ্য বা কেউ ক্রিকেট প্রশাসনে যুক্ত হন। পেশাদার কোচিংয়ে আসতে গেলে সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়। ভবিষ্যতে ক্রিকেট ছাড়ার পর যারা কোচিংয়ে আসতে চান তাদের জন্য এখনই কোচিং কোর্সের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য লেভেল ওয়ান কোচিং কোর্স চালু করছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কোর্স। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার, জাতীয় ক্রিকেটারদেরই শুধু সুযোগ থাকছে এই কোর্সে অংশ নেওয়ার। ইতিমধ্যে বিসিবি ৩০ জনের নামও চূড়ান্ত করেছে।
সাধারণ কোচিং কাঠামো অনুযায়ী লেভেল ওয়ানের পর রয়েছে লেভেল টু ও লেভেল থ্রি। কোচিংয়ে আসার ক্ষেত্রে লেভেল ওয়ানকেই প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে কোচিংয়ের প্রাথমিক বিষয় ও মৌলিক ধারণাগুলো শেখানো হয়।
কোর্সটির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এক কোচ বলেন, ‘এটা তো লেভেল ওয়ান হবে। সাধারণত যেটা হয়, সেটাই হবে। লেভেল ওয়ান হয়, লেভেল টু হয়, লেভেল থ্রি হয়। এটা একটা লেভেল ওয়ান কোর্স। বিশেষ কোনো কিছু না।’
কোচিং পেশায় আসার ক্ষেত্রে লেভেল ওয়ানকে প্রথম ধাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সাধারণত আমরা লেভেল এ থেকে শুরু করি। এ হচ্ছে একদম প্রাথমিক, যেখানে মৌলিক বিষয়গুলো দেখানো হয়। তারপর লেভেল ওয়ান থেকেই আসলে পরের ধাপগুলো করা হয়। যখন ডিস্ট্রিক্ট কোচ নেওয়া হয় বা কোনো কিছুতে নিয়োগ দেওয়া হয়, তখন লেভেল ওয়ান থেকেই আসলে শুরু হয়। সেই হিসেবে এটা প্রথম ধাপ। তারপর লেভেল টু আছে। তারপর সেখান থেকে করে লেভেল থ্রি করা হয়।’
বিসিবির গেম ডেভোলপমেন্টের একটি সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে যারা প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন বা জাতীয় দলে খেলেছেন তাদেরই নেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, ‘প্রথম শ্রেণির ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়। বেশিরভাগই জাতীয় দলের খেলোয়াড়, প্রথম শ্রেণির খেলোয়াড় কম। বিশেষভাবে শুধু প্রথম শ্রেণির ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্যই এটা আয়োজন করা হচ্ছে। কাদের করানো হবে, সেটা বিসিবি নির্বাচন করেছে।’
অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা নিয়েও রয়েছে নির্দিষ্ট সীমা। লেভেল ওয়ান কোচিং কোর্স সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় দিনের হয়ে থাকে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ীও কোর্সটির সময়কাল একই রকম। একটি কোর্সে সর্বোচ্চ ৩০ জন প্রার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক কারণ আছে। এর বেশি হলে মনোযোগে ঘাটতি তৈরী হতে পারে।
এসকেডি/আইএন