ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর সাথী আক্তার হত্যা মামলায় হৃদয় নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সামছুদ্দিন এ রায় দেন।
মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আনোয়ার আজিজ টুটুল জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আসামি হৃদয়কে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ মার্চ মোবাইল ফোনে একটি মিসড কল দেওয়াকে কেন্দ্র করে সাথী আক্তারের বড় বোনের সঙ্গে হৃদয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে হৃদয় ও তার সহযোগীরা আকুয়া জুবলী কোয়ার্টারের ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের হুমকি ও মারধর করেন।
এর দুই দিন পর ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে হৃদয় ও তার সহযোগীরা সাথী আক্তারের বাসায় যান। সাথী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যান। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই মারা যান সাথী আক্তার।
এ ঘটনায় ২৪ মার্চ নিহতের ছোট বোন মোছা. শিউলী বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় হৃদয়সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত হৃদয়কে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তার সম্পত্তি থেকে অর্থ আদায় করে নিহতের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
হোসাইন সুলভ/এএইচ