একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা দায়ের ও তথ্য গোপনের ঘটনায় রিটকারী ও তার আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা কস্ট দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই টাকা ঢাকা শিশু হাসপাতালে দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। কস্টের টাকা দিতে বলা হয়েছে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে।
আদালতে লিভ টু আপিলকারী মিজানুর রহমান মুরাদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অনীক আর হক ও শিশির মনির এবং আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত।
আরও পড়ুন
মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি
পরে আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট বিভাগে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ-সংক্রান্ত একই ইস্যুতে একাধিক রিট মামলা করা হয়। বিষয়টি গোপন করে রিট করায় এবং প্রতারণার অভিযোগে রিটকারী মো. নুর আলম ও তার আইনজীবী সুফিয়া আহমেদকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা কস্ট করা হয়েছে। এই টাকা ৩০ দিনের মধ্যে ঢাকা শিশু হাসপাতালে দিতে হবে।
যাত্রাবাড়ীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে মিজানুর রহমান মুরাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এসব রিট মামলা করা হয়েছিল।
অমিত দাশগুপ্ত জানান, ২০১৮ সালে মো. মিজানুর রহমান মুরাদকে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে এনামুল হক রিট করলে ২০২২ সালে হাইকোর্ট বিভাগ মুরাদের নিয়োগ বাতিল করেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে মুরাদ লিভ টু আপিল করেন।
আরও পড়ুন
ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় কেক কাটায় ৩ জনকে শোকজ
বুধবার আপিল বিভাগ মুরাদের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। ফলে মিজানুর রহমান মুরাদ নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন।
এফএইচ/এসএইচএস