রাজধানীর সায়েদাবাদে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিল-ঘুষিতে ফকির আলমগীর (৪৬) নামের বাসের এক হেলপার নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সায়েদাবাদ টার্মিনালের বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ফকির আলমগীর চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার আলীগঞ্জ এলাকার কাল্লু মিয়ার ছেলে। বর্তমানে সায়েদাবাদের করাতিটোলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। তিনি চার সন্তানের জনক।
যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অতনু দে প্রেম জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ফকির আলমগীরের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন
নারায়ণগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে এসআই অতনু দে আরও জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্কুর আলী নামের একজন আলমগীরকে মারধর করে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয়। এতে মাথার পেছন দিকে গুরুতর আঘাত পান তিনি। উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘাতক শুক্কুর আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের ছোট ভাই শুক্কুর আলী জানান, মঙ্গলবার সকালে সায়েদাবাদবোস টার্মিনাল এলাকায় তার ভাবির খিচুড়ি ও রুটির দোকানে ঝাড়ু দেওয়া নিয়ে অভিযুক্ত শুক্কুরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শুক্কুর আলী ওই নারীর গায়ে হাত তুললে আলমগীর প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে শুক্কুর সজোরে ধাক্কা দিয়ে আলমগীরকে রাস্তায় ফেলে দেন। এতে রাস্তায় থাকা ইটের আঘাতে মাথার পেছনে গুরুতর জখম হয় তার। পরে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে গেলে আলমগীরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
কেএজেডআইএ/এমএমকে