ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মসজিদের ২৭০ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং ১০ জন পুরোহিতকে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সম্মানী দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গঠিত এ সংক্রান্ত সেলের অষ্টম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
সভায় উপদেষ্টা বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ কর্মসূচির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রথম বছরে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন সুবিধাভোগীকে সম্মানী দেওয়া হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন
ভুয়া তথ্যে ইমাম-পুরোহিতের সম্মানি নিলে যাবজ্জীবন, ফেরত দিতে হবে টাকা
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের কাছে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্মানী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, সম্মানী প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়ম ছাড়াই যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য সম্মানী পান, তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, সম্মানী ভাতা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দিতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর আওতায় ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যবহার করে জি-টু-পি পদ্ধতিতে সম্মানী দেওয়া হবে।
মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও ইনপুটের কাজ শেষ হওয়ার পর আগামী মাসের প্রথমার্ধে সম্মানীভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপের সম্মানী পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সচিব, মহাপরিচালক এবং প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএমএম/এমএমকে