সরকারি চাকরির পরীক্ষার ভাইভায় ৫০ শতাংশ নম্বর রাখা মানে সরকারি দলের লোকদের অবৈধ সুবিধা দেওয়ার কৌশল। এমনটাই মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
তিনি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন বলে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।
ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে সচেতন মেধাবী শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে মাঠে নেমেছিলেন। তৎকালীন সরকার যৌক্তিক আন্দোলনকে স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে দমিয়ে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাদেরই দেশ ছাড়তে হয়েছে।
আরও পড়ুন
অভিযোগ ডাকসুর / সরকারি চাকরির নিয়োগে দলীয়করণ-দুর্নীতি তৈরি করবে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার উদ্দেশ্যে হচ্ছে যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে জায়গা করে দেওয়া। এ ক্ষেত্রে ভাইভা বোর্ডে ৫০ শতাংশ নম্বর রাখা মানেই এখানে সরকারি দলীয় লোকদের অবৈধ সুবিধা দেওয়ার কৌশল। এ সিদ্ধান্ত বহাল রাখলে দেশ খুব দ্রুতই উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। মেধাবীদের নিঃশেষ করে দেওয়ার জন্য এ ধরনের হঠকারী একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। মোটকথা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ভাইভায় ৫০ শতাংশ নম্বর বরাদ্দ জাতি ধ্বংসের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এ মেয়র পদপ্রার্থী বলেন, জীবনের দীর্ঘ সময় একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে আবার চাকরির জন্য নতুন করে পড়া শুরু করতে হয়। একটি জাতি পিছিয়ে পড়ার জন্য এটাই যথেষ্ট। শিক্ষা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা না থাকায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষায় বিশ্বের সফল দেশগুলোর ব্যবস্থার সমন্বয়ে একটি শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমেই এসব সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।
এমইউ/একিউএফ