আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার কোনো সাক্ষীকে হুমকি দিয়ে বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারকাজ বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, কোনো সাক্ষীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার সাক্ষীদের আসামিপক্ষ হুমকি-ধমকি দিচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমার কাছে অভিযোগ রয়েছে। এমন সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো মামলার সাক্ষীকে কেউ হুমকি দিচ্ছে—এমন অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব হুমকি-ধমকিতে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হবে না।
‘কোনো ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি দিয়ে এই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত ও বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না’—বলেন আমিনুল ইসলাম।
সাক্ষীদের নিরাপত্তায় গুরুত্ব
আন্তর্জাতিক অপরাধের মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও জেরার ওপর বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নির্ভর করে। ফলে সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানো বা প্রভাবিত করার যে কোনো চেষ্টা বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, কোনো পক্ষের হুমকি বা চাপের কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কিংবা বিচারকাজ বন্ধ বা বাধাগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
এফএইচ/এমকেআর