জাপানের নাগোয়া ও আইচি শহরে এশিয়ান গেমসের ২০ তম আসর শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। ফুটবল দিয়ে তার আগেই শুরু হবে ক্রীড়াবিদদের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। এবার গেমসে নেই বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল। দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিচ্ছে নারীরা। সোমবার উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা শুরু করতে যাচ্ছে এশিয়ান গেমস।
২০২৩ সালে চীনের হাংজুতে প্রথমবার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দুই ম্যাচ হেরে একটি ড্র করেছিল। জাপানের বিপক্ষে ৮-০ গোলে হার দিয়ে এশিয়ান গেমসে অভিষেক হয়েছিল আফঈদা-ঋতুপর্ণাদের। এবার শুরু করবে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ টায় ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে।
গত মার্চে এএফসি এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। নারী ফুটবলে পরাশক্তি এই দেশটির বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে দাঁড়াতেই পারেনি। সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মেয়েরা।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুই গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় উত্তর কোরিয়া। শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। উত্তর কোরিয়ার ৩১টি শটের বিপরীতে বাংলাদেশ কোনো শটই নিতে পারেনি।
সেই দলটির বিপক্ষে ৬ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পিটার বাটলারের দল। রোববার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ আশার কোনো কথা শোনাতে পারেননি। জয়ের কোনো চিন্তা মাথায়ও আনছেন না। এই ব্রিটিশ কোচ বলছেন, গ্রুপে তিনটি দলই আমাদের চেয়ে শক্তিশালী। বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া ও মিয়ানমার।
তবে বাংলাদেশ কোচ মাঠে নামার আগেই হাল ছেড়ে দিতে চাননা। তারুণ্য নির্ভর দলটি নিয়ে তিনি ফাইট করতে চান। গেমসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল জাপান যাওয়ার আগে চীনের গুয়াংজুতে কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে।
মিয়ানমারের বিপক্ষে এ পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলে একটি জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এই গেমসেই প্রথম অভিজ্ঞতা হবে বাংলাদেশের। তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ এবং তৃতীয় হওয়া সেরা দুই দল উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। বাংলাদেশের চোখ তাই মিয়ারনামের বিপক্ষে ম্যাচে। সর্বশেষ সাক্ষাতে মিয়ানমারের মাটিতেই তাদের হারিয়ে এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করেছিল বায়লাদেশ।
আরআই/আইএন