ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের বহনকারী তিনটি হায়েস মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে মুন্সিগঞ্জ সদর ও শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে শ্রীনগরের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এলাকা থেকে ১০ জন এবং মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দুটি এলাকা থেকে ২১ জন রয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার একটি চেকপোস্টে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি হায়েস মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ১০ জনকে আটক করা হয়।
এরপর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে সদর থানার হাতিমারা মোড়ের চেকপোস্টে আরেকটি হায়েস মাইক্রোবাস থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়। রাত ২টার দিকে শ্রীনগর থানাধীন ছনবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্টে তৃতীয় মাইক্রোবাস থেকে আরও ১০ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, আটক ব্যক্তিরা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আওয়ামী লীগের পক্ষে ঝটিকা মিছিল করার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।
শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগের মিছিল হতে পারে এমন খবর পেয়ে এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস সড়কের ছনবাড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি মাইক্রোবাস থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানান। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন জানান, সদর উপজেলার সিপাহিপাড়া থেকে ১১ জন ও নয়াগাঁও এলাকা থেকে ১০ জনকে দুটি মাইক্রোবাসসহ আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
শুভ ঘোষ/কেএইচকে