কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরংয়ে আরসিসি জেটি ও আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণে ২১৫ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রামের মীরসরাই ও সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ ও টেকনাফ (সাবরং ও জালিয়ার দ্বীপ) অংশে জেটিসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় এ কাজ করা হবে।
প্রকল্পের অধীনে ‘কনস্ট্রাকশন অব আরসিসি জেটি উইথ অ্যালাইড ওয়ার্কস অ্যাট সাবরং, টেকনাফ, কক্সবাজার’ শীর্ষক পূর্ত কাজের জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে তিনটি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তিনটি দরপত্রই কারিগরিভাবে রেসপনসিভ বিবেচিত হয়।
দরপত্র প্রক্রিয়ার সব ধাপ শেষে টেন্ডার ইভ্যালুয়েশন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, ঢাকা-এর কাছ থেকে কাজটি কেনার প্রস্তাব করা হয়। ট্যাক্স ও ভ্যাটসহ এ কাজের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৫ কোটি টাকা। এ অর্থ সরকারি অর্থ (জিওবি) থেকে ব্যয় করা হবে।
জানা গেছে, প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের মীরসরাই ও সন্দ্বীপ এবং কক্সবাজারের সোনাদিয়া, টেকনাফের সাবরং ও জালিয়ার দ্বীপ এলাকায় জেটিসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এমএএস/এমকেআর