গবেষণা বলছে, টি-বাঁধ ও গাইডওয়াল দিয়ে শহর রক্ষা করা সম্ভব হলেও পদ্মার মূল স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিমে সরে যাচ্ছে। ফারাক্কা বাঁধের প্রভাব, শুষ্ক মৌসুমে পানি কমে যাওয়া, বর্ষায় অতিরিক্ত পলি জমা, যেখানে-সেখানে বাঁধ-সেতু নির্মাণ এবং অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতি-প্রকৃতি মারাত্মকভাবে বদলে গেছে।