ব্রেকিং নিউজ
মনোযোগহীন নামাজের চেয়ে কি নামাজ না পড়াই ভালো সংযোগ সড়ক নেই, দেড় বছরেও চালু হয়নি ৭ কোটি টাকার সেতু  জ্বালানি তেলের দাম যুক্তরাষ্ট্রে কখন কমতে পারে, জানালেন ট্রাম্প ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে ফিজিওথেরাপি কতটা জরুরি ২৭ দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড নিয়ে বাপা ফুডপ্রো শুরু বৃহস্পতিবার রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতু চালু সরকারি চাকরির ভাইভায় বেশি নম্বর রাখার সিদ্ধান্তে যা বললেন ডা. জাহেদ ‘মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছি’—বরখাস্তের ৪ দিন পর বাংলাদেশ কোচের বিস্ফোরক দাবি টিফিন ব্রেকের রঙিন দিনগুলো
সারাদেশ

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৮

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
ফরিদপুরের সালথায় এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা এলাকায় সালথা-ময়েনদিয়া সড়কে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সোনাপুর ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহিদুল হাসান লাবলু ও সালথা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন সাখাওয়াতের সঙ্গে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা এবং বিএনপি নেতা মো. সরোয়ার হোসেনের বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয়রা আরও জানান, সরোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট জাহিদুল হাসান লাবলু দুজনই সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। কয়েক মাস ধরে তারা নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেনের সমর্থক যোগারদিয়া গ্রামের টুকু মাতুব্বরকে নিজেদের দলে ভেড়ানোর জন্য লাবলুর সমর্থকরা চাপ দিয়ে আসছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। সোমবার বিকেলে টুকু সোনাপুর বাজারে গেলে লাবলুর সমর্থকরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন গ্রামের উভয়পক্ষের বিপুলসংখ্যক সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফুকরা এলাকার সালথা-ময়েনদিয়া সড়কে জড়ো হন। পরে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৮ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১০ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে সালথা-ময়েনদিয়া সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন ওই সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা। এ বিষয়ে সোনাপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, “আমি এলাকায় দলপক্ষ পরিচালনা করি না। আমাদের সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুল হক মোল্যা দল পরিচালনা করেন। আমি তার দলের একজন সমর্থক। তবে যতটুকু শুনেছি, আমাদের দলের লোকজনকে জোরপূর্বক লাবলু ও জয়নাল তাদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।” সালথা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন সাখাওয়াত বলেন, “আমি কাউকে দলে ভেড়ানোর জন্য কোনো ধরনের চাপ দিইনি। উল্টো ফুকরা গ্রামের ফজলু ও টুকু মাতুব্বর আমার চাচাতো ভাই হৃদয়ের শার্টের কলার ধরে। পরে বাজারে থাকা লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। এরপর তারা আবার ঢাল-সরকি নিয়ে এসে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করলে আমাদের লোকজন তা প্রতিহত করে।” তবে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জাহিদুল হাসান লাবলু ও আজিজুল হক মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, “এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তবে বড় ধরনের সহিংসতা শুরুর আগেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।” এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মুহাম্মদ আল ফাহাদ বলেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>