ব্রেকিং নিউজ
সা‌বেক সাত এম‌পির বিরু‌দ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত, এক এম‌পির বিরু‌দ্ধে চার্জ‌শিট এক কোটি দক্ষ জনশক্তি বিদেশ পাঠাতে কাজ চলছে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী লালমনিরহাটে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগ দত্তক কন্যার লড়াকু জীবনের গল্প বলতে গিয়ে কাঁদলেন বিবেক রাজধানীতে নিখোঁজের ১ বছর পর কিশোরী উদ্ধার টয়লেটে মাংস ধোয়া ও নিষিদ্ধ কেমিকেলে খাবার তৈরি, ৩ রেস্তোরাঁকে জরিমানা কনার সাফল্যের পেছনে কি সত্যিই কোনো গোপন সিন্ডিকেট কাজ করছে? মেটার মিউজ এআই এজেন্ট জনপ্রিয়তা পেলেও অ্যামাজন কেন নিষিদ্ধ করল ইউসিবি ব্যাংকে ‘অ্যাগ্রি সেলস অফিসার’ পদে চাকরির সুযোগ, স্নাতক পাসে আবেদন বালু দিয়ে নদী ভরাট: প্রাণ-আরএফএলের দুই ব্যবস্থাপকসহ ৪ জনের কারাদণ্ড
সারাদেশ

দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে ইউপি নির্বাচনের বিধিমালার গেজেট প্রকাশ 

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
নিজস্ব প্রতিবদেক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন বিধিমালা সংশোধন করে প্রতীকের তালিকা থেকে দলীয় সকল প্রতীক বাদ দিয়ে বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া প্রার্থীদের জামানত ও নির্বাচনি ব্যয় দুইটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার নির্বাচন (ইউনিয়ন পরিষদ) পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনী এমন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর প্রতীকে তালিকা থেকে জানা যায়, সব দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে মোট ৪২ টি প্রতীক রাখা হয়েছে। যেখানে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জন্য ২০ টি। সংরক্ষিত সদস্যদের জন্য ১০ টি এবং সাধারণ সদস্য প্রার্থীদের জন্য ১২ টি প্রতীক চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জামা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানতের প্রয়োজন হবে না। জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ১৫ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য কোনো প্রার্থী সরকারি গেজেটে নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা গ্রহণ না করলে ওই অর্থ অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০২৬-এর বিধান প্রযোজ্য হবে। ওই বিধিমালার পরিপন্থি কোনো কার্যক্রমে অর্থ ব্যয় করা যাবে না। চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তফসিলি ব্যাংকে আলাদা হিসাব খোলার বিধানও রাখা হয়েছে। নির্বাচনি ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাব থেকে ব্যয় করতে হবে। কোনো খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে তা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা সংশোধিত বিধিমালায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনো উৎস থেকে পাওয়া রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্টের বিরুদ্ধে বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রতীয়মান হলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কমিশন লিখিত আদেশে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। এ আদেশ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী, তার নির্বাচনি এজেন্ট ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে এবং সরকারি গেজেটে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অপকর্মের কারণে চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হলে কমিশন ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে। অনুসন্ধানের পর প্রয়োজন মনে করলে ওই কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশও দিতে পারবে। সমান ভোট হলে পুনঃভোট দুই বা ততোধিক প্রার্থী সর্বোচ্চ সমান ভোট পেলে লটারির পরিবর্তে পুনঃভোটের বিধান করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ সমভোট পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে পুনঃভোট গ্রহণের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেবে কমিশন। প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তায় নতুন বিধান দৃষ্টি বা শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা অন্য কোনো কারণে সহায়তার প্রয়োজন এমন ভোটারকে ভোটদানে সহায়তার জন্য কমপক্ষে ২১ বছর বয়সী একজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা। ভোটার ব্যালট পেপারে নিজে চিহ্ন দিতে না পারলে তার নির্দেশনা অনুযায়ী সহায়তাকারী চিহ্ন দিতে পারবেন। তবে ওই সহায়তাকারী কোনো প্রার্থী, প্রার্থীর এজেন্ট, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হতে পারবেন না। সহায়তাকারীকে ভোটারের পছন্দ গোপন রাখার নির্দেশনা দিতে হবে এবং এ ধরনের ভোটারের একটি তালিকা সংরক্ষণ করবেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা। নির্বাচনি দায়িত্বে বাধা দিলে শাস্তি নির্বাচনি দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তি, কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি বা পর্যবেক্ষককে হুমকি, ভয়ভীতি, আঘাত বা বলপ্রয়োগ করে বাধা দেওয়া কিংবা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যবহৃত সরঞ্জামের ক্ষতি করা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মনিটরিং কমিটি গঠন ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনি অপরাধ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়গুলো মনিটরিং করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মনিটরিং কমিটি গঠন করতে পারবে কমিশন। সংশোধিত বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট বা পোলিং এজেন্ট নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না থাকলেও তাদের অনুপস্থিতির কারণে আইনানুগভাবে সম্পন্ন কোনো কার্যক্রম অবৈধ হবে না। তবে রিটার্নিং বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিতের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে এবং অনুপস্থিতির কারণ লিখিতভাবে কমিশনকে জানাতে হবে।
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>