ব্রেকিং নিউজ
খেলাধুলা

Duleep Trophy: পূর্বাঞ্চলের রানের পাহাড়ের সামনে শামি, মুকেশ কুমারের আগুনে বোলিংয়ে তৃতীয় দিনশেষে চাপে দক্ষিণাঞ্চল

a
abp অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
<p><strong>চেন্নাই:</strong> দলীপ ট্রফি ফাইনালের শুরু থেকেই পূর্বাঞ্চল দাপট দেখিয়েছে। টস থেকে শুরু করে ব্যাটিংয়ের ভাল পরিবেশ, সবকিছুই পূর্বাঞ্চলের পক্ষে ছিল এবং সেই সহায়তা পেয়ে প্রথম দিনের প্রথম সেশনে বৈভব সূর্যবংশী ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ দাপট শুরু করেছিলেন। ম্যাচের তিন দিন কেটে গেলেও ম্যাচের রাশ সেই পূর্বাঞ্চলের হাতেই রয়েছে। তিন দিনের খেলা শেষে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণাঞ্চল এখনও প্রথম ইনিংসে ৪৬৬ রানে পিছিয়ে রয়েছে। সেখানে তিলক বর্মার দলের হাতে আর মাত্র চার উইকেট রয়েছে।</p> <p>সেই ১৪ বছর আগে শেষবার দলীপের ফাইনালে পৌঁছেছিল পূর্বাঞ্চল। তারপর থেকে খেতাব জেতা তো দূর, ফাইনালে মাঠেও নামতে পারেনি পূর্বাঞ্চল। তবে এ বছরে ফাইনালের ভেন্যু পরিবর্তন হওয়ার পরেই ইতিহাসের কথা মাথায় রেখে হয়তো পূর্বাঞ্চলের মুখে হাসি ফুটেছিল। দর্শকদের মাঠে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার স্বার্থেই বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সিলেন্স থেকে দলীপের ফাইনালের ভেন্যু চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বদল করা হয়। এই স্টেডিয়ামেই তো ১৪ মরশুম আগে পূর্বাঞ্চল শেষবার দলীপ ট্রফি জিতেছিল। সেই মাঠেই ফের একবার দলীপ জয়ের পথে বেশ ভাল জায়গায় পূর্বাঞ্চল।&nbsp;</p> <p>পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংসে ৭০৮ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের খেলাশেষে দক্ষিণাঞ্চলের স্কোর ছয় উইকেটের বিনিময়ে ২৪২ রান। ম্যাচের প্রথম দুই দিন যেখানে ঈশান কিষাণরা ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছিলেন, সেখানে তৃতীয় দিনে মুকেশ কুমার ও মহম্মদ শামির বোলিং পূর্বাঞ্চলকে আরও ভাল জায়গায় পৌঁছে দিল। এদিন ইনফর্ম দেবদত্ত পাড়িক্কাল এবং তিলক বর্মা অর্ধশতরান হাঁকালেও, বাকি কোনও দক্ষিণাঞ্চল ব্যাটার তেমন রানই পেলেন না। দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটারদের শট নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।&nbsp;</p> <p>নারায়ণ জগদীশন বল স্লাইস করে শিখর মোহনের বিরুদ্ধে আউট হন। পাড়িক্কাল দুরন্ত অর্ধশতরান হাঁকার পরেও বল ফ্লিক করতে গিয়ে ডিপ স্কোয়ার লেগে সহজ ক্যাচ দেন। তাঁকে সাজঘরে ফেরান মহম্মদ শামি। নিজের শততম প্রথম শ্রেণীর ম্যাচে শামিকে ছোট ছোট স্পেল ব্যবহার করেন অধিনায়ক ঈশান কিষাণ। তাঁর পাশাপাশি রবিচন্দ্রন স্মরণকেও ২৩ রানে সাজঘরে ফেরান শামি। তাঁকে নিজের স্বভাবচিত ভঙ্গিমায় বল রিভার্স স্যুইং করতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গী বাংলার আরেক বোলার মুকেশ কুমারকেও বল রিভার্স করতে দেখা যায়। তিনি গোটা দলীপ ট্রফিতে একের পর এক ইনিংসে ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিয়েছেন, ফাইনালেও তাঁর ঝুলিতে দুই উইকেট এল।</p> <p>চাপের মুখে দক্ষিণাঞ্চলের অধিনায়ক তিলক বর্মা এখনও লড়াই চালাচ্ছেন। তিনি ৫৬ রানে ক্রিজে টিকে রয়েছেন। তিনিই দক্ষিণাঞ্চলের শেষ ভরসা। সেমিফাইনালে শতরান হাঁকিয়ে দলকে ফাইনালে তোলার পর ফাইনালেও তাঁর ব্যাট কথা বলছে। তবে তাঁর সেঞ্চুরি কিন্তু এই ইনিংসে যথেষ্ট হবে বলে মনে হচ্ছে না। পূর্বাঞ্চলের রানের গণ্ডি পার করতে হলে তিলককে আরও বড় রান করতে হবে। আগামীকাল&nbsp;চতুর্থ দিনের শুরুতে পূর্বাঞ্চল নতুন বল হাতে পাবে। সেই নতুন বল কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে।&nbsp;</p> <p>প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়া দলই ম্যাচ ড্র হলে নিয়ম অনুয়ায়ী জয়ী ঘোষিত হয়। সেই কারণেই ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম ইনিংসটা এত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চল সেই প্রথম ইনিংসে অনেকটাই পিছিয়ে। তাই আপাতত ঈশান কিষাণ ১৪ মরশুম পর পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক হিসাবে দলীপ ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করলে, তা একেবারেই কিন্তু অমূলক নয়।</p> <p>[yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]</p>
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>