জাতীয়

বাংলাদেশের ফুটবলারকে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ করলো ফিফা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
7 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বাংলাদেশের দুই ফরোয়ার্ড আল আমিন ও মিরাজুল ইসলামকে বড় ধরনের শাস্তি দিয়েছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। আল আমিনকে ১৫ ম্যাচ এবং মিরাজুল ইসলামকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত ৭ জুন ডায়মন্ড জুবিলি আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টে মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের সিনিয়র দলের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ‘টায়ার-১’ প্রীতি ম্যাচেও কার্যকর হবে। আল আমিন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুইবার রেফারিকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়। শুধু মাঠের ঘটনাতেই শেষ হয়নি আল আমিনের শাস্তি। বিষয়টি ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটিতে যাওয়ার পর তার আচরণকে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে তাকে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। একই ম্যাচে শাস্তির মুখে পড়েছেন মিরাজুল ইসলামও। বাংলাদেশের হয়ে গোল করা এই ফরোয়ার্ডকে বেঞ্চ থেকে ম্যাচ কর্মকর্তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরেই তাকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ম্যাচ চলাকালে দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। শেষ বাঁশি বাজার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একপর্যায়ে ম্যাচ রেফারিকে নিরাপত্তাকর্মীদের পাহারায় মাঠ ছাড়তে হয়। ঘটনার পর ফিফা এরই মধ্যে মিরাজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার শাহীন হাসানকে জরিমানা করেছিল। ফিফার প্রাথমিক যোগাযোগ পাওয়ার পর বাফুফেও ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছিল। তবে এবার আল আমিনের ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ। জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকে পাওয়া যাবে না। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক টিয়ার-১ প্রীতি ম্যাচেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় আল আমিনের জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ আরও কঠিন হয়ে গেল। অন্যদিকে মিরাজুলের নিষেধাজ্ঞা তুলনামূলকভাবে কম হলেও জাতীয় দলের আসন্ন ম্যাচে এর প্রভাব পড়তে পারে। তরুণ এই ফরোয়ার্ড সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তবে এই ঘটনায় মালদ্বীপের কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মাঠের পারফরম্যান্সের বদলে ম্যাচ শেষে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে বাংলাদেশের দুই ফুটবলারের এমন শাস্তি তাই নতুন করে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের আচরণ ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সঙ্গে শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের বিষয়টি সামনে এনেছে। বিশেষ করে আল আমিনের ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়ে থাকল। আইএইচএস/
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>