ব্রেকিং নিউজ
মানবাধিকার কমিশন বিলে পরিবর্তনের সুপারিশ, ‘সক্রিয় অংশগ্রহণ’ নিয়ে সংসদে বিতর্ক নোয়াখালী নাই কোথায়, চাঁদে গেলেও নোয়াখালী পাওয়া যায়: ডেপুটি স্পিকার আরও একটি জাহাজ কিনল এমজিআই, বহর বেড়ে ২৮টিতে সভাপতি পদ না দেওয়ায় বিরোধী দলের ক্ষোভ, সংসদ কক্ষ ত্যাগ ‘৪৮ ঘণ্টায় আমার বিরুদ্ধে ১০৯টি উদ্দেশ্যমূলক নিউজ হয়েছে, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি’ দলবদলের সময় শেষ, এখনো আলভারেজের আশায় বার্সেলোনা ‘অন্ধকারের মধ্যে সাগরে আমরা, আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা সবার মধ্যে’ চট্টগ্রামে প্লাস্টিক বর্জ্যের বিনিময়ে মিলছে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ ফেনীতে বিএনপির দু’পক্ষে সংঘর্ষ  ইরানকে সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করছে রাশিয়া
সারাদেশ

মেয়ের ছবি বুকে নিয়ে মায়ের কেঁদেই চলেছে

b
bd24live অনলাইন ডেস্ক
2 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
মেয়ের ছবি বুকে নিয়ে কেঁদেই চলেছে। মা বিলকিছ বেগম মাত্র ১৬ বছর বয়সী নববধূ সুমাইয়ার রহস্যজনক মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে সঠিক বিচার দাবি করেছেন তিনি। মা বিলকিছ বেগমের অভিযোগ, দাবিকৃত যৌতুকের টাকা না পেয়ে নির্যাতনের পর সুমাইয়াকে হত্যা করা হয়েছে। সুমাইয়া ঝিকরগাছার মটবাড়িয়া গ্রামের হারুন বিশ্বাসের মেয়ে। চার মাস আগে মণিরামপুরের মথুরাপুর গ্রামের আল আমিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। পরিবারের দাবি, বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র দেওয়া হলেও পরে আরও টাকার দাবিতে সুমাইয়ার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় দেওয়া আবেদনে সুমাইয়ার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও মা বিলকিছ বেগমের দাবি, মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়নি। স্বামীর কক্ষের খাটের ওপর কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় সুমাইয়াকে পাওয়া যায়। এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সুমাইয়া আত্মহত্যা করে ঝুলে থাকলে তাকে কে, কখন নামালেন? এদিকে সুমাইয়াকে গোসল করানোর সময় কয়েকজন শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং একটি হাড় ভাঙার মতো বিষয় দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে মণিরামপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। পরে তার মা বিলকিছ বেগম আদালতে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষেও স্বাধীন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই শোকে ভেঙে পড়েছেন বিলকিছ বেগম। ঘরের দরজায় বসে মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তিনি। কখনো ছবিতে হাত বুলিয়ে আদর করছেন, আবার মেয়ের কথা মনে পড়লেই অচেতন হয়ে পড়ছেন। কিছুতেই মেয়ের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তিনি। বিলকিছ বেগম বলেন, ‘আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সুমাইয়ার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করে যারা দায়ী, তাদের সঠিক বিচার করতে হবে।’ মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, ‘সুমাইয়া আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>