ব্রেকিং নিউজ
অস্ত্রের লাইসেন্স করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নায়ক সোহেল রানার প্রশ্ন সিদ্দিক মাহমুদুর রহমান: নিভৃতচারী এক গবেষকের নিঃসঙ্গ প্রয়াণ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এ বছর মাত্র ৫ লাখ লোক দারিদ্র্য কাটাবে, কাজ হারাবে ৬ লাখ সাদিয়ার স্বপ্ন শিক্ষক হওয়ার ক্রিকেটে সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার, টেস্টে বাঁহাতি পেসারদের সেরা বোলিং এবং আরও ৮ প্রশ্ন চুয়াডাঙ্গায় অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ চবির আড়াই হাজার নবীন শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা গাজীপুরে একদিনে শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার কৃতির পোশাক বিতর্কের পর ভাইরাল কঙ্গনার পুরোনো ব্র্যালেট লুক সেই তরুণীর সঙ্গে বাইকে থাকা ২ যুবকের পরিচয় নিয়ে যা জানা গেল
জাতীয়

লোডশেডিংয়ে নয়, অব্যবস্থাপনার কারণে মারা যায় ১৫ কোটি টাকার মাছ

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
যশোরের শার্শা উপজেলার এ এফ মৎস্য খামারে মাছের ব্যাপক মৃত্যুর পেছনে ঘনঘন লোডশেডিং প্রধান কারণ নয়, বরং অতিরিক্ত মাছের মজুত এবং সামগ্রিক খামার ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত তদন্ত কমিটির সরেজমিন পরিদর্শন এবং প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান শেষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল। আরও পড়ুন যশোর / লোডশেডিংয়ে মাছ মারা যাওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, তদন্ত কমিটি গঠন যশোর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার অশীষ কুমার দাস জানান, শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সোনামুখী বিলের নিকটবর্তী ওই খামারে মাছ মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লোডশেডিংকে দায়ী করে সংবাদ প্রচারিত হয়। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় তদন্ত কমিটি। তদন্তে বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড যাচাই করে দেখা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) দিনগত রাতে ওই এলাকার ফিডারে রাত ১টা ৪২ থেকে রাত ২টা ২৬ পর্যন্ত মাত্র ৪৪ মিনিট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে ওই লোডশেডিং শুরু হওয়ার আগে থেকেই খামারে মাছ মারা যেতে শুরু করে। ফলে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মাছ মারা গেছে—এমন দাবির কোনো বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ মেলেনি। আরও পড়ুন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মাছের মড়ক, এক রাতেই ক্ষতি সাড়ে ১৫ কোটি টাকা তদন্তে চিহ্নিত মাছ মৃত্যুর আসল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, খামারে ধারণক্ষমতার চেয়ে অত্যধিক মাছের মজুত ঘনত্ব এবং অতিরিক্ত উচ্চ-আমিষযুক্ত খাদ্যের প্রয়োগ। এছাড়া জলাশয়ে জৈব ও নাইট্রোজেনজাত বর্জ্যের চাপ, ফাইটোপ্ল্যাংকটনের অস্বাভাবিক আধিক্য এবং পানির পিএইচ, অ্যামোনিয়া ও দ্রবীভূত অক্সিজেনের ভারসাম্যহীনতাও এজন্য দায়ী। প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত এয়ারেশন ব্যবস্থা এবং জরুরি মুহূর্তে বিকল্প বিদ্যুৎ (জেনারেটর) ব্যবস্থারও নেই সেখানে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, খামার কর্তৃপক্ষ একদিকে বিভিন্ন মাধ্যমে কোটি টাকার বিনিয়োগ ও বিপুল আর্থিক ক্ষতির দাবি করেছে, অন্যদিকে অর্থের অভাবে জেনারেটর কেনা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে। শতকোটি টাকার খামারে এয়ারেশন চালু রাখার মতো একটি জেনারেটর না থাকা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে খামার মালিকের দেওয়া তথ্যের মিল না থাকায় তাদের বক্তব্যে অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়েছে। মিলন রহমান/এসআর/জেআইএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>