বিজ্ঞাপন
‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে ১৪ সদস্যের পরামর্শক পুল গঠন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। বিশেষায়িত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ সেল ও এর সহায়ক টাস্কফোর্সকে সহায়তা করবে এই পুল। গত ২০ আগস্ট এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
পরামর্শক পুলের সভাপতি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানউল্লাহ, ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ও প্রকাশক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ, কানাডার ইউনিভার্সিটি অব সাসকাচুয়ানের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ওয়াটারের গবেষক ও স্পেশাল ডেটা সায়েন্টিস্ট ড. ফয়সাল কবির শুভ, কৌশলগত যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাদিকুর রহমান, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কারিগরি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ সুবাইল বিন আলম এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সহকারী পরিচালক নাহিদ জামান সোমা।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন এএসএম ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনসালট্যান্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ রায়হান, ‘চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী/ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, আইডব্লিউএমের জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী শাহ আদনান মাহমুদ, জলবায়ু ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি অর্থায়ন বিষয়ক কারিগরি বিশেষজ্ঞ এম. জাকির হোসেন খান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক মো. আলী ইমাম। সদস্য সচিব করা হয়েছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান খানকে।
আরও পড়ুন
প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃক্ষরোপণ সেলের চাহিদা অনুযায়ী পরামর্শক পুল পর্যায়ক্রমে কারিগরি ও পেশাগত সহায়তা দেবে। টাস্কফোর্সের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ সেলের কাছে প্রতিবেদনও উপস্থাপন করবেন তারা।
পুলের অন্যতম দায়িত্ব হবে কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট নীতি, কৌশল ও নির্দেশিকা প্রণয়নে মতামত দেওয়া এবং বিদ্যমান নীতি কাঠামো সংশোধন, পরিমার্জন ও সংস্কারের বিষয়ে সুপারিশ করা। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের স্থান নির্বাচন, ম্যাপিং, অগ্রগতি পরিবীক্ষণ ও ডেটাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে জিআইএস, রিমোট সেন্সিং ও স্পেশাল ডেটা সায়েন্সসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে।
এছাড়া, কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্বন ক্রেডিট ও জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ চিহ্নিত করা, প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬ সহ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের আলোকে কারিগরি পরামর্শ দেওয়া এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক জলবায়ু তহবিল ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অর্থায়ন সংগ্রহের কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করবে পুল।
আরও পড়ুন
ডিম কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ
কর্মসূচির আওতায় নেওয়া কার্যক্রম, প্রকল্প ও উদ্যোগের নিরপেক্ষ পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন এবং অগ্রগতি পর্যালোচনা করে সুপারিশও দেবে পরামর্শক পুল। একই সঙ্গে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি, গণমাধ্যমে প্রচার এবং কৌশলগত যোগাযোগ পরিকল্পনা প্রণয়নেও সহায়তা করবে।
পরামর্শক পুলের সভা বছরে অন্তত দুইবার অনুষ্ঠিত হবে। তবে প্রয়োজনে যে কোনো সময় সভা আহ্বান করা যাবে। পুলের সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করবেন। এ দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের কোনো আর্থিক বা যাতায়াত সুবিধা দেওয়া হবে না।
পরামর্শক পুলকে সব ধরনের সাচিবিক সহায়তা দেবে বন অধিদপ্তর। পাশাপাশি পুলের পরামর্শে বৃক্ষরোপণ সেল প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে।
আরএমএম/কেএসআর
বিজ্ঞাপন