বিজ্ঞাপন
অল্পের জন্য ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা পেলেন ভারতের অভিনেত্রী মানসী পারেখ। নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বানের তাণ্ডবে তছনছ হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। যে জায়গায় যাওয়ার কথা ছিল মানসীর, তার আগেই সেখানে নেমে আসে এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফলে মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পেয়েছেন অভিনেত্রী।
বর্তমানে সদগুরুর কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নিতে চিনে রয়েছেন মানসী। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তার তিব্বতের গিরং বন্দরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বুধবার ওই এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান আঘাত হানে। পানির তোড়ে গিরং বন্দরসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে যায়।
ভয়াবহ এই পরিস্থিতির একাধিক ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন মানসী। পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তার বিষয়টিও জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী জানান, ঈশ্বরের কৃপায় তিনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যরা চিনে নিরাপদে আছেন।
গিরং বন্দরে হড়পা বানের একটি ভিডিও শেয়ার করে মানসী লিখেছেন, ‘এটা কী অবস্থা হয়েছে! আমার তো আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে এখানেই থাকার কথা ছিল।’
এরপর একই এলাকার আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। কয়েক দিন আগেই ওই জায়গায় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল। সেই মুহূর্তের ভিডিওর সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে মানসী লেখেন, ‘মাত্র পাঁচ দিন আগেই এই জায়গায় আমাকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। এত উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছিলাম। আর এখন গোটা জায়গাটাই জলের তলায়।’
আরও পড়ুন
৫৪ বছর বয়সে বিয়ে করলেন অভিনেত্রী
ঘটনার ভয়াবহতায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন মানসী। নিজের নিরাপত্তার কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘জীবন অনিশ্চিত। কিন্তু যা ঘটেছে, তা সত্যিই অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই ঘটনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা নিরন্তর প্রার্থনা করছি। ঈশ্বরের কৃপায় আমরা চিনে নিরাপদে আছি।’
মানসী আরও জানান, ইশা ফাউন্ডেশন তাদের নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বন্যার মধ্যে আটকে পড়া মানুষদের খোঁজ করতেও সংস্থাটি যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।
সবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য ভক্তদের কাছে প্রার্থনার আবেদন জানান অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘সকলের সুস্থতা ও নিরাপত্তার জন্য দয়া করে প্রার্থনা করুন।’
আরও পড়ুন
রাখির বিজ্ঞাপনে পোশাক নিয়ে কটাক্ষ, জবাব দিলেন কৃতি
এদিকে বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নেপালের রসুয়া জেলা এবং তিব্বত-সংলগ্ন গিরং অঞ্চলও এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির তোড়ে বহু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় সেখানে উদ্ধার তৎপরতা ও নিখোঁজদের সন্ধান চালানো হচ্ছে।
এমএমএফ
বিজ্ঞাপন