ব্রেকিং নিউজ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামে দুই হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের স্বাস্থ্যসেবা দিল আদমজী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল সম্পত্তি হস্তান্তর আইন প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন জোরদারের হুঁশিয়ারি জামায়াতের স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে চাকরি, ২০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে সন্দেহে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা করলেন জামাতা মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আবুল কালামের আপিল মঙ্গলবারের তালিকায় স্বাধীন দেশে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর দৌরাত্ম্য আর কতকাল? ‘এমপ্রেস কি’ তারকার বিয়ে ভারতে আসছেন পুতিন-শি: ইরান ও ডলারবিরোধী নীতিতে বিরক্ত যুক্তরাষ্ট্র ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে তিন ওয়ার্ডে চসিকের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম
জাতীয়

সাবিনা ইয়াসমীনের কণ্ঠ নিয়ে যা বললেন কনকচাঁপা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
4 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
  বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তিতুল্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিন আজ। বিশেষ এই দিনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। সাবিনা ইয়াসমীনের সঙ্গে তোলা একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। স্ট্যাটাসে সাবিনা ইয়াসমীনকে বাংলাদেশের সংগীতের ‘বাতিঘর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন কনকচাঁপা। একই সঙ্গে তার কণ্ঠের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, দীর্ঘ সংগীতজীবনেও কীভাবে সাবিনা ইয়াসমীন একই রকম কণ্ঠ ধরে রেখেছেন, সেটিই গবেষণার বিষয়। কনকচাঁপা লিখেছেন, ‘সাবিনা ইয়াসমীন। একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট। আমাদের বাতিঘর আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার একটা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বলেন তো কোকিল কবে গায়? দর্শকের উত্তর বসন্তে। তারপর তার প্রশ্ন ছিল সারাবছরই সুরে মাতিয়ে রাখে কোন পাখি?’ এরপর তিনি সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘দর্শক উত্তর দিতে দেরি করায় তিনিই উত্তর দেন, সারাবছর গানে মাতিয়ে রাখে যে পাখি তিনি আমাদের সাবিনা ইয়াসমীন। অনেক বছর আগের কথা সেটা।’ সাবিনা ইয়াসমীনের দীর্ঘ সংগীতজীবনের কথা উল্লেখ করে কনকচাঁপা বলেন, ‘এখন আমি বলবো সারাবছর নয় বাংলাদেশের মানুষকে সারাজীবন গানে ডুবিয়ে ভাসিয়ে উজ্জীবিত করে রাখলেন আমাদের সাবিনা আপা।’ সাবিনা ইয়াসমীনের কণ্ঠের সঙ্গে কোকিলের তুলনা টেনে কনকচাঁপা আরও লেখেন, ‘সাবিনা আপা কোকিলের মতো নাকি কোকিল সাবিনা আপার মতো গায় তা গবেষণার বিষয় না হলেও আমাদের সাবিনা আপা আজীবন এবং পরিণত বয়সেও কীভাবে একই রকম কণ্ঠ ধরে রাখলেন তা কিন্তু গবেষণার বিষয়।’ আরও পড়ুন ‘আমরা তো আপনাদের ভক্ত হয়ে গুনাহ করেছি’, পপির বক্তব্যে জয় বাংলাদেশের গানের বিভিন্ন শাখায় সাবিনা ইয়াসমীনের দক্ষতার কথাও তুলে ধরেছেন কনকচাঁপা। তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সব গানের সব শাখায় সমান দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করার পরও একটা কথাই বলতে ইচ্ছে হয়, উনি যদি ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’-এই তিনটি গান ছাড়া আর একটিও গান না গাইতেন তবুও তিনি আজ যেমন মধুকণ্ঠী কোকিল নামে অভিহিত হয়ে গেছেন তেমনই থাকতেন।’ সবশেষে সাবিনা ইয়াসমীনের জন্মদিনে তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান কনকচাঁপা। তিনি লেখেন, ‘আজ তার জন্মদিন। আজকের দিনটি একান্তই তার হয়ে যাক, আজকের সব ফুল সাবিনা আপার জন্য ফুটুক এবং আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ, আনন্দিত, সুরক্ষিত, সুখী ও সমৃদ্ধ রাখেন এই দোয়া করি।’ স্ট্যাটাসের শেষে কনকচাঁপা লেখেন, ‘শুভজীবন বাংলার গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমীন।’ দেশের গান সাবিনা ইয়াসমীনকে অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তাকে নিয়ে গেছে মানুষের মনের মনিকোঠায়। দেশাত্মবোধক গানের ক্ষেত্রে সাবিনা ইয়াসমীনকে বলা যায়- অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ পর্যন্ত বহু দেশের গান গেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘জন্ম আমার ধন্য হলো’, ‘ও আমার বাংলা তোর’, ‘একটি বাংলাদেশ’, ‘ও মাঝি নাও ছাইড়া দে’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য’, ‘সেই রেল লাইনের ধারে’ ও ‘যদি মরণের পরে কেউ প্রশ্ন করে’। সাবিনা ইয়াসমীনের গানের সংখ্যা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না তিনি নিজেও। তবে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে জানা গেছে, তিনি অন্তত ১০ হাজার গান গেয়েছেন। সেসবের বেশিরভাগই জনপ্রিয়। ‘এ কী সোনার আলোয়’, ‘প্রেম যেন এক গোধুলি বেলার’, ‘যদি আমাকে জানতে সাধ হয়’, ‘এই পৃথিবীর পরে কত ফুল ফোটে’, ‘মন যদি ভেঙ্গে যায় যাক’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান’, ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, ‘এ আধার কখনো যাবে না’, ‘জানি না সে হৃদয়ে কখন এসেছে’, ‘চিঠি দিও প্রতিদিন’, ‘ইশারায় শীষ দিয়ে আমাকে ডেকো না’, ‘এ সুখের নেই কোনো ঠিকানা’ গানগুলো সেই তালিকায় শুরুর দিকেই রাখা যাবে। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন সাবিনা ইয়াসমীন। সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, উত্তম কুমার পুরস্কার, জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার, শেরে বাংলা স্মৃতি পদক। সিনেমার গানের জন্য তিনি ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। আরও পড়ুন সপ্তাহজুড়ে সালমান শাহর সিনেমা ১৯৬৭ সালে জহির রায়হানের ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রে আলতাফ মাহমুদের সংগীত পরিচালনায় মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রথম প্লেব্যাক করেন সাবিনা ইয়াসমীন। সেই শুরু থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ তিনি দেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম শ্রদ্ধেয় শিল্পী। এমএমএফ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>