ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বেড়ে ওঠা আরিফ হোসেনের সামনে বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ ছিল না। শারীরিক অসুস্থতার কারণে একসময় বিসিএস ও উচ্চশিক্ষা—দুটি স্বপ্নই প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের ‘হোটেল গ্রেভার ইন’ পড়ে যে ফার্গো শহর ও নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির কথা প্রথম জেনেছিলেন। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সেখানেই এবার পূর্ণ অর্থায়নে ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন বিষয়ে পিএইচডি শুরু করছেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আরিফ হোসেনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। মেঘনা ও তিতাসবিধৌত এই জনপদ তিন দিক থেকে নদীবেষ্টিত। ঢাকার খুব কাছে হওয়া সত্ত্বেও যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে একসময় এলাকাটি তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হতো। এখন অবশ্য পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির ফলে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা যাওয়া যায়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় লেখাপড়ার চেয়ে খেলাধুলার প্রতিই আরিফের আগ্রহ ছিল বেশি। মাধ্যমিকে ওঠার পর ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ তৈরি হয়। বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানের শিক্ষক–সংকট থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নবম ও দশম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার সুযোগ পাননি। তাই ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ বেছে নিতে হয় তাঁকে।
আরিফ হোসেনের মামা নটর ডেম কলেজে উচ্চমাধ্যমিক এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। মামার শিক্ষাজীবনের গল্প আরিফকে অনুপ্রাণিত করত। তাঁর মা প্রায়ই বলতেন, ‘তোমাকেও নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে।’ মায়ের সেই কথাই একসময় তাঁর মনের গভীরে স্থায়ী স্বপ্ন হিসেবে জায়গা করে নেয়।
কিন্তু বাঞ্ছারামপুরের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সহজ ছিল না। মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করার পর অবশেষে ঢাকার নটর ডেম কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। মায়ের দেখানো স্বপ্নের প্রথম ধাপটি তখন পূরণ হয়।

নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে থাকা জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি আরিফের জীবনে নতুন একটি জানালা খুলে দেয়। এই বইয়ের মাধ্যমেই পাঠ্যবইয়ের বাইরের সাহিত্য পড়ার আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস শুরু হওয়ার আগের অবসরটুকুতে প্রচুর বই পড়েন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছোটগল্পগুলো ছিল সেই পাঠযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এরপর হুমায়ূন আহমেদের বই পড়া শুরু করেন। তাঁর পড়া হুমায়ূন আহমেদের প্রথম বই ‘জোছনা ও জননীর গল্প’। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে ‘মধ্যাহ্ন’। হুমায়ূন আহমেদের লেখায় জীবনের কঠিন ও জটিল বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজভাবে উপস্থাপনের ক্ষমতা তাঁকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে।
একপর্যায়ে পড়েন ‘হোটেল গ্রেভার ইন’। বইটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটার ফার্গো শহরে হুমায়ূন আহমেদের ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে। পিএইচডি করতে গিয়ে লেখকের প্রথম ফার্গো পৌঁছানো, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া, নিঃসঙ্গতা, তুষারপাত এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির জীবন—এসব বিবরণ আরিফের মনে দাগ কাটে।
আরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের বই পড়েই প্রথম ফার্গো এবং নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির নাম জানতে পারি। তখন অবশ্য কখনো ভাবিনি, একদিন সত্যিই এই শহরে এসে পড়াশোনা করব।’
নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে আরিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন। মায়ের বলা দ্বিতীয় স্বপ্নটিও পূরণ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিয়ে নিয়মিত খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। তখন জানতে পারেন, হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিবিজড়িত নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে তাঁর নিজের বিষয় অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। যোগ্য শিক্ষার্থীরা পূর্ণ অর্থায়নও পেতে পারেন।
স্নাতকের প্রথম বর্ষ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে পিএইচডি করার ইচ্ছা তৈরি হয় তাঁর। ফার্গো তখন আর শুধু হুমায়ূন আহমেদের বইয়ে পড়া কোনো দূরের শহর নয়; ধীরে ধীরে সেটি আরিফের নিজের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নের অংশ হয়ে ওঠে।
স্বপ্ন থাকলেও বাস্তবতার পথ ছিল দীর্ঘ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর পরিবার ও চারপাশের সামাজিক প্রত্যাশার কারণে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন আরিফ। বিসিএস পরীক্ষাকে কেন্দ্র করেই তখন তাঁর দৈনন্দিন জীবন আবর্তিত হচ্ছিল।
কিন্তু হঠাৎ গুরুতর পিঠের ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের সমস্যায় আক্রান্ত হন। ব্যথা এতটাই তীব্র ছিল যে একটানা এক ঘণ্টাও বসে থাকতে পারতেন না। দেশেই একাধিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিলেও নিজের শারীরিক অবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলেন না বলে তাঁর মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে যেতে হয়।
সেই সময়টি ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে অনিশ্চিত অধ্যায়। বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না, আবার উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আরিফ হোসেন বলেন, ‘ব্যথার কারণে যখন স্বাভাবিকভাবে বসতেই পারতাম না, তখন মনে হয়েছিল জীবনে আর কোনো স্বপ্ন অবশিষ্ট নেই। বিসিএস বা বিদেশে পিএইচডি—কোনোটিই হয়তো আর সম্ভব হবে না।’
চেন্নাই থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পর ধীরে ধীরে কিছুটা সুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। এর মধ্যেই ঢাকার একটি কলেজের প্রফেশনাল বিবিএ বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর উচ্চশিক্ষার পুরোনো স্বপ্নটি আবার তাঁর ভেতরে ফিরে আসে। শিক্ষার্থীদের পড়াতে গিয়ে নিজেরও আরও শেখা ও গবেষণা করার আগ্রহ বেড়ে যায়।
চাকরির পাশাপাশি আইইএলটিএস ও জিআরই—দুটি পরীক্ষার জন্য একই সঙ্গে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন আরিফ। অসুস্থতা, চাকরি এবং দীর্ঘ বিরতির পর আবার নিয়মিত পড়াশোনায় ফিরে আসা সহজ ছিল না। তারপরও পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি চালিয়ে যান এবং দুটি পরীক্ষাতেই ভালো ফল করেন।
এরপর নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির অ্যাগ্রিবিজনেস অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড ইকোনমিকস বিভাগে আবেদন করেন। তাঁর আবেদন গৃহীত হয়। পূর্ণ টিউশন মওকুফসহ ২০২৩ সালের ফল সেমিস্টারে যুক্তরাষ্ট্রে এসে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রথম জেনেছিলেন হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে, দীর্ঘদিন পর বাস্তবে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হন।
শুধু পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট কাউন্সিলের জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচিত হন। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত থাকার সুযোগ পান। ২০২৫ সালে সফলভাবে গবেষণাপত্রের প্রতিরক্ষা সম্পন্ন করে অ্যাপ্লায়েড ইকোনমিকসে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

মাস্টার্স সম্পন্ন হলেও আরিফ যে পিএইচডির স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন, সেটি তখনো পূরণ হয়নি। নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন পিএইচডি প্রোগ্রাম প্রতি দুই বছর পরপর নতুন শিক্ষার্থী গ্রহণ করে। ২০২৪ সালে শিক্ষার্থী নেওয়ায় পরবর্তী ভর্তি হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালে। ফলে মাস্টার্স শেষ করার পর তাঁকে প্রায় এক বছর অপেক্ষা করতে হতো।
ব্যবসায় শিক্ষায় এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করা, অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা এবং বিবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার কারণে ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন বিষয়টি তাঁর গবেষণার আগ্রহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়। তাই শুধু অপেক্ষার সময় কমানোর জন্য নিজের মূল লক্ষ্য পরিবর্তন করতে চাননি।
কিন্তু সমস্যাটি ছিল অন্য জায়গায়। এক বছর অপেক্ষা করলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ শিক্ষার্থী হিসেবে কীভাবে অবস্থান করবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেক চিন্তাভাবনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনার পর নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির পরিসংখ্যানের মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে পিএইচডিতে ভর্তির সুযোগ থাকলেও তাঁর মূল পরিকল্পনা ছিল এক বছর পরিসংখ্যানের প্রয়োজনীয় কোর্স ও বিশ্লেষণী দক্ষতা অর্জন করা এবং পরবর্তী সুযোগে নিজের কাঙ্ক্ষিত পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া।
পরিসংখ্যানের পড়াশোনা তাঁর গবেষণাজীবনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অর্থনীতি, ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যান—এই তিন ক্ষেত্রের জ্ঞান ভবিষ্যতে পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে গবেষণায় কাজে লাগবে বলে মনে করেন তিনি।
অবশেষে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫ সালেই নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করেন আরিফ। আবেদনপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা, গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রোগ্রামটি তাঁকে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করার প্রস্তাব দেয়।
ভর্তি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং কোর্স নিবন্ধনের সব প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ মাসেই শুরু হচ্ছে তাঁর পিএইচডির ক্লাস।
বাঞ্ছারামপুরের নদীবেষ্টিত জনপদ থেকে নটর ডেম কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরে নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি—আরিফের যাত্রাটি সরল ছিল না। বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ না পাওয়া, শারীরিক অসুস্থতা, স্বপ্ন হারিয়ে ফেলার ভয়, অভিবাসন-অবস্থার অনিশ্চয়তা এবং কাঙ্ক্ষিত পিএইচডির জন্য এক বছর অপেক্ষা—প্রতিটি পর্যায়েই নতুন বাধা এসেছে। কিন্তু প্রতিবারই তিনি বিকল্প পথ খুঁজেছেন।
আরিফ হোসেন বলেন, ‘অনেক সময় আমরা যে পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে চাই, সেই পথটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন গন্তব্য পরিবর্তন না করে নতুন পথ খুঁজে নিতে হয়। আমার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের পড়াশোনা ছিল তেমনই একটি পথ। এই এক বছর আমাকে পিছিয়ে দেয়নি; বরং ভবিষ্যতের গবেষণার জন্য আরও প্রস্তুত করেছে।’
হুমায়ূন আহমেদের ‘হোটেল গ্রেভার ইন’ পড়ে যে শহরকে একসময় কেবল কল্পনায় চিনেছিলেন, আজ সেই ফার্গোতেই নিজের পিএইচডি–যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন আরিফ। সামনে তাঁর লক্ষ্য পরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা, অর্থনীতি, ঝুঁকি ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে এমন গবেষণা করা, যা বাস্তব সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে।
নতুন যাত্রার আগে সবার কাছে দোয়া চেয়ে আরিফ বলেন, ‘পিএইচডিতে ভর্তি হওয়া আমার স্বপ্নের শেষ নয় বরং গবেষক হওয়ার দীর্ঘ পথের শুরু। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে গবেষণা করতে পারি এবং আমার অর্জিত জ্ঞান মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারি।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b>
|
নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>