বিজ্ঞাপন
<p><strong>সন্দীপ সরকার, কলকাতা: </strong>জুলাইয়ের পুনরাবৃত্তি সেপ্টেম্বরে।</p>
<p>জুলাই মাসে বিশেষ সাধারণ সভা ডেকে যুগ্মসচিব পদে নির্বাচন করতে চেয়েও পারেনি সিএবি। মনোনয়নই জমা দেননি কেউ। সেপ্টেম্বর মাসে বার্ষিক সাধারণ সভায় সচিব, যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিল - তিনটি পদে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনও পদেই কোনও মনোনয়ন জমা না পড়ায় ভেস্তে গেল নির্বাচন। বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন সন্ধ্যায় সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও ইলেক্টোরাল অফিসার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন যে, নির্বাচন হচ্ছে না। তবে বার্ষিক সাধারণ সভা ২৪ সেপ্টেম্বর সূচি মেনেই হচ্ছে।</p>
<p>তারপর থেকেই উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। নির্বাচন না হলে তিনটি শূন্যপদ পূরণ হবে কীভাবে ও কবে? ২৩ সেপ্টেম্বর সচিব বাবলু কোলের পদের মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে। তার ২ মাসের মধ্যে অর্থাৎ ২৩ নভেম্বরের ভেতর ফের বিশেষ সাধারণ সভা ডাকতে হবে। তখনই তিন পদে নির্বাচন হওয়ার কথা। যদিও সৌরভ জানিয়ে দিলেন, নির্বাচন পরের এজিএম পর্যন্ত নাও হতে পারে।</p>
<p>সিএবি সংবিধান মেনে ৬০ দিনের মধ্যে শূন্যপদে নির্বাচন করা হবে? সৌরভ বলেন, 'দেখা যাক, পরিস্থিতি জরিপ করে দেখতে হবে। আজকে প্রসেস কমপ্লিট হল। এজিএম হচ্ছে। নির্বাচন তার একটা অংশমাত্র। দুই শূন্যপদ পূরণ করার কোনও সময়সীমা নেই।'</p>
<p>এজিএমে আলোচনা করে কি এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে? সৌরভ বলেন, 'না আলোচনার কিছু নেই। এজিএম-ই টাইম ছিল। কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। তাই পদগুলি এখন ফাঁকাই থাকছে।' এরপর কি বিশেষ সাধারণ সভা ডেকে নির্বাচন হবে? সৌরভ বলেন, 'জানি না, যখন ইস্যু হবে তখন দেখব।' পদ কি অনির্দিষ্টকালের জন্য ফাঁকা থাকতে পারে? সৌরভের জবাব, 'না। আবার সর্বোচ্চ সময়সীমা হচ্ছে পরের বছরের এজিএম।'</p>
<p>ইলেক্টোরাল অফিসার সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় যদিও অন্য ব্যাখ্যা দিলেন। প্রথমে বললেন, '৩ সেপ্টেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র জমা নিতে শুরু করেছি। দুটি রবিবার বাদ দিয়ে মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২২টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। তবে নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য কোনও পদেই কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। এজিএম হচ্ছে। ভোট হচ্ছে না।'</p>
<p>এসজিএমের পর এজিএম - দুবার মনোনয়ন জমা না পড়ায় নির্বাচন হচ্ছে না। ইলেক্টোরাল অফিসার হিসাবে আপনার ভূমিকাটা ঠিক কী? এবিপি লাইভ বাংলার প্রশ্নে সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় বলেন, 'রুল ৬২টিতে ইলেক্টোরাল অফিসারের ভূমিকা পরিষ্কার বলা আছে। ইলেক্টোরাল অফিসারের কাজ শুধু নির্বাচন প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করা। নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা থেকে শুরু করে নির্বাচন হওয়া পর্যন্তই আমার দায়িত্ব। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে মনোনয়ন জমার কাজ শুরু হয়েছে।'</p>
<p>একাধিক পদ ফাঁকা থাকলে সইসাবুদ করবেন কে? ইলেক্টোরাল অফিসার বলছেন, 'সেটা সিএবি-র অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে সরকারি দফতরের ক্ষেত্রে অন্য কেই সেই ভূমিকা পালন করেন।' কতদিন ফাঁকা থাকতে পারে তিন শূন্যপদ, পরের এজিএম পর্যন্ত? সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় বললেন, 'সিএবি রুলে বলা আছে ৬০ দিনের মধ্যে শূন্যস্থান পূরণ করার কথা। তবে যেহেতু এটা অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাপার, তাই তাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটা ইলেক্টোরাল অফিসারের কাজ নয়।' তিনি যোগ করলেন, 'জেলাশসকদের চিঠি সবগুলো আমি পাইনি। কিছু চিঠি সরাসরি সিএবি-তে জমা পড়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে সত্তোরোর্ধ্ব বা ক্রিকেট প্রশাসনে ৯ বছর পার হয়ে গেলে বাতিল হওয়ার বিষয়টি শুধু পদাধিকারীদের ক্ষেত্রেই নয়, প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও মানা উচিত। এটাও সিএবির নিয়ম সংক্রান্ত। এখানে ইলেক্টোরাল অফিসারের কোনও ভূমিকা নেই। এটা সিএবি-কে ঠিক করতে হবে।'</p>
<p>[yt]https://www.youtube.com/watch?v=PKwLsAu-z10[/yt]</p>
বিজ্ঞাপন