ব্রেকিং নিউজ
হলি ক্রস কলেজে একাদশে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন ২-৫ সেপ্টেম্বর পরিচয় গোপন রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগ জানানো যাবে ‌‘চাঁন্দাবিডি ডটকমে’ জিম্মার শর্ত ভঙ্গ, ১২ দিনের মাথায় সাফারি পার্কে ফিরল ‘সম্রাট’ ও ‘নিহারকলি’ স্থানীয় সরকারের সব অফিসের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে সমাবর্তনের আবহে নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের বিদায় অনুষ্ঠান শরীয়তপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৩ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ঢাবিতে নানা কর্মসূচি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ঢাবিতে নানা কর্মসূচি খানাখন্দে ভরা পিরোজপুরের সড়ক, বৃষ্টিতে বাড়ে দুর্ভোগ সাংবিধানিকভাবেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির শপথ নিয়েছেন, বললেন আইনমন্ত্রী
প্রচ্ছদ

উমামার কাছে ক্ষমতার রাস্তাটা খোলা ছিল, সে যায়নি: তাসনিম জারা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং মুখপাত্র উমামা ফাতেমাকে নিয়ে দীর্ঘ লেখা পোস্ট করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। ২৮ জুলাই বিকেল ৫টা ১১ মিনিটে তিনি এ বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। ডা. তাসনিম জারা লিখেছেন, ‌‌‌‘অভ্যুত্থানের পরপর উমামা ফাতেমা, নুসরাত আর রাফিয়ার একটা ইন্টারভিউ দেখেছিলাম। যতদূর মনে পড়ে, ডেইলি স্টার সেটা পাবলিশ করেছিল। ওরা বলছিল আন্দোলনের দিনগুলোতে কী করেছে, কেন করেছে, কেমন দেশ চায়। এত সাহসী, এত খোলামেলা, আর এত অল্প বয়সে এত পরিণত কথা আমি বেশি দেখিনি। আমার রাজনীতিতে আসার পেছনে যে কয়েকটা ধাক্কা কাজ করেছে, ওই ইন্টারভিউটা তার একটা। দেশে ফেরার পর উমামার সাথে যেদিন প্রথম দেখা হলো, আমি রীতিমতো স্টারস্ট্রাক হয়েছিলাম। সামনাসামনি ও আরও সহজ। কোনো পারফরম্যান্স নেই। যা বিশ্বাস করে তা-ই বলে, যা বলে তা-ই করে। সেই দিন একটা ছবি তুলে রেখেছিলাম—যুক্ত করে দিচ্ছি। আমাদের মতো নতুন রাজনীতিতে আসা মানুষদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটা হলো নিজের কম্পাস ঠিক রাখা। প্রতিদিন এত সিদ্ধান্ত, এত চাপ, এত ধোঁয়াশা; সব প্রশ্নের উত্তর গোড়া থেকে ভেবে বের করা সম্ভব না। তাই কয়েকজন মানুষ লাগে, প্রয়োজনে যাদের বিবেচনার ওপর ভরসা করা যায়। উমামাকে দেখে মনে হতো, ও আমার সেই মানুষদের একজন হতে পারে। আরও পড়ুন এমপির ভিডিও ভাইরাল / সুপারিশের দাম হিসেবে মেয়েটিকে কী দিতে হয়েছে? প্রশ্ন তাসনিম জারার তারপর অনেকটা সময় গেছে। অনেককে বদলে যেতে দেখেছি। অনেকের কাছ থেকে হতাশ হয়েছি। উমামা রয়ে গেছে। গত দুই বছরে উমামা বারবার স্রোতের বিপরীতে যেয়ে নীতিনিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে প্ল্যাটফর্মকে আর নিজের কথার সাথে মেলাতে পারেনি, সেখান থেকে নিজেই বেরিয়ে এসেছে। দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবে ‌‘না’ বলেছে। ডাকসু নির্বাচনে কোনো দলের সমর্থন ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছে। হেরেছে, কিন্তু নিজের শর্তে। উমামার কাছে ক্ষমতার রাস্তাটা খোলা ছিল, চাইলেই সে যেতে পারত। সে যায়নি বরং হাতের নাগালের ক্ষমতাকে ‘না’ বলেছে। আমাদের রাজনীতিতে ক্ষমতার দিকে হাঁটা খুব সাধারণ ঘটনা। নিজের কথার সাথে মিল রাখতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া বিরল। ইদানীং কেউ কেউ উমামাকে ব্যর্থ বলতে চাইছেন। কারণ তিনি এমপি হতে পারেননি। এমপি হওয়াটাই যেন সফলতা; মানুষের জীবনে কিছু বদলাতে পারলেন কি না, সে প্রশ্নটা অপ্রাসঙ্গিক। এই হিসাব মানলে স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশের প্রতিটা এমপিই সফল। কারণ তারা তো এমপি হয়েছিলেন। আসল হিসাব হয় দুইটা প্রশ্নে: পজিশনটা পেলেন কীভাবে, আর পেয়ে করলেন কী। যে কোনো মূল্যে আসন চাই, এ তো পুরোনো বন্দোবস্তেরই নিয়ম। ওই নিয়মে খেললে নতুন বন্দোবস্ত থাকে কোথায়? বদলায় শুধু মুখ। উমামা ওই দলে নেই। সেজন্যই ওর মধ্যে নতুন কিছুর আশা এখনো বেঁচে আছে। আরও পড়ুন তোষামোদি বন্ধ করে নিজের অধিকার বুঝে নিন: মাহমুদা মিতু কেউ কেউ উমামাকে মঞ্চে কথা বলতে দেখলে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। আর ওকে মঞ্চে কথা বলতে দেখলে আমার শিরদাঁড়াটা একটু সোজা হয়ে যায়। ছোটবেলায় শুনেছিলাম, চীনের দুঃখ হোয়াংহো। উমামাকে অনেকে হোয়াংহো নদীর সাথে তুলনা করে ব্যর্থদের কাতারে ফেলতে চায়। কিন্তু বড় হয়ে জেনেছি, ওই হোয়াংহোর পলিমাটিতেই চীনা সভ্যতার জন্ম। যে নদীকে লোকে দুঃখ বলে, সে নদীই আসলে জন্ম দেয়। নতুন বাংলাদেশের কথা ভাবলে যাদের চেহারা ভরসার প্রতীক হয়ে আমার মানসপটে ভেসে ওঠে, তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন উমামা ফাতেমা।’ এসইউ
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>