জাতীয়

আবু আফজাল সালেহের তিনটি কবিতা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
5 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
(১)মোমবাতি দ্যাখো, ভবিষ্যতের দিনগুলো আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেজ্বলন্ত মোমবাতির সারির মতো-সোনালি, উষ্ণ আর প্রাণবন্ত ছোট ছোট মোমবাতি। দ্যাখো, অতীতের দিনগুলো পড়ে আছে পেছনেনিভে যাওয়া মোমবাতির এক বিষাদময় সারি-কত দ্রুত সেই অন্ধকারের দীর্ঘ হচ্ছেকত দ্রুত নিভে যাওয়া মোমবাতির সংখ্যা বাড়ছে।  আমি পেছনে ফিরে আর অন্ধকার দেখতে চাই নাআমি সামনের জ্বলন্ত মোমবাতিগুলোর দিকেই তাকাই।  (২)সুর বিষণ্ন হতে বাধা হয় কখনো কখনো কুয়াশা আমার পথ আটকায়আর কালো মেঘ আমাকে আঁকড়ে ধরেবিষণ্ন হয়ে যাই তখন-তখন গান শুনি মৃদু স্বরেপ্রিয়দের সঙ্গে কথা বলি, ভ্রমণ করি। পথ যখন আরও অন্ধকার হতে চায়, যায়দুঃখগুলো যখন একত্র হয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়অন্ধকারে ঢুকেই সুরে সুরে গান করি। আমি ভাঙা-অতীত নিয়ে বিষণ্ন হই নাকোনো রাতই অন্ধকার নয়, কোনো দিনই দীর্ঘ নয়। যতক্ষণ হৃদয়ে গান থাকে, সুর বাজেআমাকে বিষণ্ন না-হতে সামনে এসে দাঁড়ায়। আরও পড়ুন কারিমুল ইসলামের চারটি কবিতা (৩)প্রাণশক্তি, চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে যতই পাগলামি বলো কিংবা পাগল, ভয় নেইভেতরের এক শক্তি কাজ করে অহর্নিশক্ষয় হতে দিলেও মরতে দেয় না কখনো। আমরা আঙুলগুলো স্বতঃস্ফূর্ত মেলে ধরিরংধনুর মতো ছড়িয়েবেড়ে ওঠে সবুজ অরণ্য, পাহাড়-পর্বত-নদীযদি ফুলের মাঠ থেকে হারিয়ে যাইআমরাই হয়ে উঠি এক-একটি ফুলের মাঠ। যতই পাগলামি বলো কিংবা পাগল,এ আমার বুনো স্বভাব-আমাদের শেকড়তোমাদের অহংকারে, তোমাদের অবহেলায়চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে। কেএসকে
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>