ব্রেকিং নিউজ
জাতীয়

আজকের ঋণ, আগামী প্রজন্মের বোঝা

j
jagonews24 অনলাইন ডেস্ক
1 বার পঠিত
বিজ্ঞাপন Ad
একটি শিশু যখন জন্ম নেয়, তার প্রথম কান্নার সঙ্গে পৃথিবীতে আসার কথা নতুন সম্ভাবনার। কিন্তু রাষ্ট্রের হিসাবের খাতায় সেই শিশুটির নাম লেখার আগেই তার মাথার ওপর যেন একটি অদৃশ্য দায় চেপে বসে। সে কিছু কেনেনি, কোনো ঋণের কাগজে সই করেনি, কোনো ব্যাংক থেকে টাকা নেয়নি—তবু রাষ্ট্রের ঋণের ভাগ তার কাঁধেও এসে পড়ে। বাংলাদেশে এখন সেই অদৃশ্য দায়ের পরিমাণ কম নয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা ১৯ পয়সা। অর্থাৎ রাষ্ট্রের মোট ঋণকে দেশের জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে একজন নাগরিকের ওপর গড়ে এই পরিমাণ ঋণ পড়ে। সংখ্যাটি নিছক একটি পরিসংখ্যান নয়। এর ভেতরে ভবিষ্যতের অর্থনীতি, বাজেট, করদাতার আয়, সরকারের ব্যয় এবং আগামী প্রজন্মের ওপর বর্তানো আর্থিক দায়—সবকিছুর গল্প লুকিয়ে আছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা ১৯ পয়সা। একদিন এই দেশের নবজাতকের মাথায় ঋণের হিসাব নয়, সম্ভাবনার হিসাব বসাতে হবে। সে দিন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে—আমরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছ থেকে আর ধার করিনি; বরং তাদের জন্য এমন একটি অর্থনীতি রেখে গেছি, যার আয় দিয়ে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকালে অবশ্য দেখা যায়, বাংলাদেশের ঋণের অবস্থান এখনো সবচেয়ে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। একই ধরনের আন্তর্জাতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ছিল জিডিপির প্রায় ৪১ শতাংশ, যেখানে ভারতের ছিল প্রায় ৮৫ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশে ঋণের অনুপাত বাংলাদেশের তুলনায় বেশি। কিন্তু এখানেই আত্মতুষ্টির কোনো কারণ নেই। কারণ একটি দেশের ঋণ কতটা বিপজ্জনক, তা শুধু ঋণের মোট অঙ্ক বা জিডিপির অনুপাত দিয়ে নির্ধারিত হয় না; নির্ভর করে রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা, ঋণের সুদ পরিশোধের চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার আয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ঋণ নিয়ে সেই দেশ কী ধরনের সম্পদ তৈরি করছে তার ওপর। অর্থাৎ ভারতের মাথাপিছু ঋণ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হতে পারে, কিন্তু ভারতের অর্থনীতির আকার, রাজস্ব আহরণ ও উৎপাদনক্ষমতার সঙ্গে সেই ঋণের সম্পর্কটিও বিবেচনায় নিতে হবে। আবার বাংলাদেশের ঋণ তুলনামূলকভাবে কম হলেও যদি রাজস্ব আয় দুর্বল থাকে, প্রবৃদ্ধি মন্থর হয় এবং ঋণের সুদ পরিশোধে বাজেটের ক্রমবর্ধমান অংশ ব্যয় করতে হয়, তাহলে অপেক্ষাকৃত কম ঋণও একসময় বড় চাপ তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন তাই—আমরা প্রতিবেশীদের তুলনায় কত ঋণী, শুধু তা নয়; বরং আমাদের আয় ও সক্ষমতার তুলনায় এই ঋণ কতটা টেকসই। তবে এখানেই একটি ভুল ধারণা দূর করা জরুরি। ‘মাথাপিছু ঋণ’ শুনে এমন ভাবার কারণ নেই যে দেশের প্রত্যেক মানুষকে আগামীকাল ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা হাতে নিয়ে সরকারের ঋণ শোধ করতে হবে। এটি একটি গড় হিসাব। কিন্তু এই গড় হিসাব আমাদের যে বাস্তবতার সামনে দাঁড় করায়, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্র যত বেশি ঋণ করে, ভবিষ্যতে সেই ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের জন্য তত বেশি রাজস্ব প্রয়োজন হয়। আর রাজস্ব আসে শেষ পর্যন্ত মানুষের আয়, ভোগ, ব্যবসা ও সম্পদের ওপর আরোপিত কর থেকেই। অর্থাৎ ঋণটি আজকের মানুষের হাতে নগদ বিল হয়ে না এলেও আগামী দিনের বাজেটের সুযোগ কমিয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের জায়গাটি এখানেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ২০২৫ সালের আর্টিকেল ফোর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি ও সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত মোট ঋণ জিডিপির প্রায় ৪১ শতাংশে উঠেছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বাড়ার কারণে সামগ্রিক সরকারি ঋণের বর্তমান মূল্যও ধীরে ধীরে বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। রাজস্ব আহরণে দুর্বলতা এবং সুদের বাড়তি চাপকে ঋণের স্থায়িত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি। আরও বড় সমস্যা হলো, আমাদের ঋণের প্রশ্নটি শুধু ঋণের পরিমাণ দিয়ে বিচার করলে চলবে না। দেখতে হবে ঋণ নিয়ে আমরা কী করছি। যদি ঋণ নিয়ে এমন অবকাঠামো তৈরি করা হয়, যা উৎপাদন বাড়ায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, রপ্তানি বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করে, তাহলে সেই ঋণ অর্থনীতির জন্য বোঝা নয়; বরং বিনিয়োগ। কিন্তু ঋণের টাকা যদি অপচয় হয়, প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে, সময়মতো কাজ শেষ না হয়, কিংবা দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সুফল না আসে, তাহলে সেই ঋণ পরিণত হয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বোঝায়। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সাম্প্রতিক চিত্র এই উদ্বেগ আরও গভীর করে। অর্থমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ছয় ব্যাংকেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শুধু জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের মার্চ শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে অনাদায়ী বা খেলাপি ঋণের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ, যেখানে দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকগুলোর গড় ছিল ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক দুর্বলতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ দেওয়ার মতো সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছে। এখানে রাষ্ট্রীয় ঋণ ও ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দুটি আলাদা বিষয় হলেও তাদের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ব্যাংকিং খাত দুর্বল হলে সরকারকে শেষ পর্যন্ত সেই খাত উদ্ধারে অর্থ দিতে হতে পারে। আর ব্যাংকিং খাত থেকে অর্থনীতিতে ঋণের প্রবাহ অদক্ষ হলে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে একদিকে ঋণের বোঝা বাড়ে, অন্যদিকে সেই ঋণ থেকে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি আসে না। তাহলে ঋণ কমবে কীভাবে? এর উত্তর শুধু ‘কম ঋণ নিতে হবে’—এত সরল নয়। রাষ্ট্রের উন্নয়ন, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা কিংবা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ঋণ নিতেই হবে। প্রশ্ন হলো, কোন ঋণ নেব, কতটা নেব, কী শর্তে নেব এবং সেই ঋণের অর্থ কোথায় ব্যয় করব। প্রথম কাজ হওয়া উচিত রাজস্ব আয় বাড়ানো। বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্বল জায়গাগুলোর একটি এখানেই। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, যা ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো এত নিচে। যে রাষ্ট্রের কর আহরণ দুর্বল, তাকে উন্নয়ন ব্যয় চালাতে বারবার ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই করের হার শুধু বাড়ালেই হবে না; করের আওতা বাড়াতে হবে। যারা কর দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন কিন্তু করজালের বাইরে আছেন, তাঁদের করব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে করদাতাকে হয়রানি নয়, সহজ ও ডিজিটাল করব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দ্বিতীয় বড় কাজ সরকারি ব্যয়ে দক্ষতা ফিরিয়ে আনা। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পে সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি। একটি প্রকল্পের ব্যয় যদি বারবার সংশোধন করতে হয়, তাহলে তার আর্থিক দায় শুধু বর্তমান সরকারের নয়—ভবিষ্যৎ সরকারেরও। প্রকল্প গ্রহণের আগে অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই, স্বাধীন মূল্যায়ন এবং বাস্তবায়নের পর ফলাফল পরিমাপ বাধ্যতামূলক হওয়া দরকার। তৃতীয়ত, ঋণের অর্থকে উৎপাদনশীল খাতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এমন প্রকল্পে ঋণ ব্যয় করা উচিত, যা মানুষের উৎপাদনক্ষমতা বাড়ায়—বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ, কৃষি উৎপাদন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, যোগাযোগ অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ। চতুর্থত, ব্যাংকিং খাতে কঠোর সংস্কার ছাড়া ঋণের বোঝা কমানো সম্ভব নয়। রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি কিংবা দুর্বল তদারকির মাধ্যমে ঋণ বিতরণের দিন শেষ করতে হবে। বড় ঋণখেলাপিদের জন্য আইনের প্রয়োগ যেমন কঠোর করতে হবে, তেমনি প্রকৃত ব্যবসায়িক সংকটে পড়া উদ্যোক্তার জন্য স্বচ্ছ পুনর্গঠন ব্যবস্থাও রাখতে হবে। খেলাপি ঋণকে বারবার পুনঃতফসিল করে সমস্যাকে ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। পঞ্চমত, ঋণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা প্রয়োজন। সরকার কত ঋণ নিচ্ছে, কোথা থেকে নিচ্ছে, সুদের হার কত, মেয়াদ কত, কোন প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে মোট কত অর্থ পরিশোধ করতে হবে—এসব তথ্য নাগরিকের সামনে সহজ ভাষায় প্রকাশ করা উচিত। ঋণ শুধু অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাবের বিষয় নয়; এটি জাতীয় সম্পদের ভবিষ্যৎ বণ্টনের প্রশ্ন। আইএমএফও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং আর্থিক খাতের সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। তাদের হিসাবে ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে সরকারি ঋণ জিডিপির অনুপাতে আরও বাড়তে পারে। তবে ঋণ কমানোর সবচেয়ে টেকসই উপায় হলো অর্থনীতির উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানো। শুধু ব্যয় কমিয়ে কোনো দেশ দীর্ঘদিন সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমাদের প্রয়োজন এমন প্রবৃদ্ধি, যার ভিত্তি হবে কর্মসংস্থান, রপ্তানি, উৎপাদনশীলতা ও বিনিয়োগ। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং ব্যবসা পরিচালনার খরচ কমানো জরুরি। বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসার পরিবেশ সংস্কার, অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ঋণ নিজে কোনো পাপ নয়। পৃথিবীর প্রায় সব আধুনিক রাষ্ট্রই ঋণ নেয়। প্রশ্ন হলো—ঋণ নিয়ে কে কতটা সম্পদ তৈরি করছে। ঋণ যদি ভবিষ্যৎ আয় তৈরি করে, তাহলে তা উন্নয়নের হাতিয়ার। আর ঋণ যদি আজকের অপচয় মেটায়, তাহলে তা আগামী দিনের স্বাধীনতা সংকুচিত করে। একটি শিশুর জন্মের সঙ্গে তার মাথায় যে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকার গড় ঋণের হিসাব বসে যাচ্ছে, সেটিকে আতঙ্কের গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটিকে অবহেলা করারও সুযোগ নেই। কারণ আজ যে ঋণ আমরা নিচ্ছি, তার সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে আগামী দিনের সরকার হয়তো কোনো বিদ্যালয়, হাসপাতাল, গবেষণাগার বা কর্মসংস্থান প্রকল্পে কম ব্যয় করতে বাধ্য হবে। আমরা আসলে ভবিষ্যতের কাছ থেকেই ধার করছি। তাই ঋণ কমানোর লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু হিসাবের খাতায় ঋণের অঙ্ক কমানো নয়; এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা, যেখানে ঋণের প্রয়োজন কমে আসে, রাজস্বের ভিত্তি প্রশস্ত হয়, সরকারি ব্যয়ে জবাবদিহি থাকে এবং প্রতিটি ধার করা টাকা মানুষের উৎপাদনক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। একদিন এই দেশের নবজাতকের মাথায় ঋণের হিসাব নয়, সম্ভাবনার হিসাব বসাতে হবে। সে দিন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে—আমরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছ থেকে আর ধার করিনি; বরং তাদের জন্য এমন একটি অর্থনীতি রেখে গেছি, যার আয় দিয়ে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে। ঋণের বোঝা কমানোর প্রকৃত অর্থ সেখানেই। লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।drharun.press@gmail.com এইচআর/এএসএম
বিজ্ঞাপন Ad
পাঠকের মতামত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন Ad
বিজ্ঞাপন Ad

সম্পাদক ও প্রকাশক: <b>ডি. হাসান. খান</b> | নির্বাহী সম্পাদক: <b>এ. এইচ. সুমন</b>
<div><b>বেলভিউ টাওয়ার ৭১ বীর উত্তম সিআর দত্ত রোড, হাতিরপুল, ঢাকা-১২০৫</b></div>