বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, মানবিক সহায়তা সংস্থা ও বৈশ্বিক নীতি-প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি তরুণদের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। তবে এসব প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য শুধু একাডেমিক ডিগ্রি যথেষ্ট নয়। সেই সঙ্গে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা, বাস্তব অভিজ্ঞতা, পেশাগত প্রস্তুতি ও সঠিক দিকনির্দেশনা।
এমন বাস্তবতাকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠানের। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাজের ধরন, নিয়োগপ্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও শিক্ষাজীবন থেকেই বৈশ্বিক কর্মপরিসরের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা।
একই সঙ্গে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা খাতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য পথ নিয়েও শিক্ষার্থীদের বাস্তব ধারণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ হিউম্যান রিসোর্স অর্গানাইজেশনসের (এফবিএইচআরও) সভাপতি ও আইসিডিডিআর,বির এইচআর উপদেষ্টা ড. মো. মোশাররফ হোসাইন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেয়ার বাংলাদেশের হেড অব পিপল অ্যান্ড কালচার কাজী রিজওয়ানা রহমান এবং অক্সফামের পিপল, কালচার অ্যান্ড অর্গানাইজেশন ডেভেলপমেন্টের প্রধান ইসরাত শায়লা।
আরও পড়ুন
ডাকসুর উদ্যোগে মাসব্যাপী লেখালেখি ও নাট্য কর্মশালা
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির। সঞ্চালনা করেন কার্যনির্বাহী সদস্য মো. তাজিনুর রহমান।
আলোচনায় অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা ও শিক্ষাজীবন থেকেই কীভাবে নিজেকে একজন দক্ষ ‘বৈশ্বিক পেশাজীবী’ হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেন।
বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক কর্মপরিসরে সফল হতে একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি যোগাযোগ দক্ষতা, পেশাগত আচরণ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। এসব দক্ষতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।
ডাকসুর আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে শিক্ষার্থীদের কাছে দূরের কোনো সম্ভাবনা হিসেবে নয়, বরং বাস্তব ও অনুসরণযোগ্য একটি ক্যারিয়ার পথ হিসেবে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা দেশের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্বপরিসরে প্রতিযোগিতা, পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারেন।
আরটি/একিউএফ
বিজ্ঞাপন