বিজ্ঞাপন
জামানত ও বোর্ড অনুমোদন ছাড়া প্রায় ৬৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে ১২ মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম মামলা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন
কোটি টাকা আত্মসাৎ: উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডিসহ ৫ জনের নামে মামলা
যাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তারা হলেন—ম্যাক্স সোয়েটার বিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান, পরিচালক সেলিনা জামান, কাজী সিরাজুজ্জামান ও পরিচালক কাজী আবুল কালাম আজাদ, সাদ মুসা ফেব্রিক্স লিমিটেড ও সাজিদ মাহমুদ কটন মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহসিন, পরিচালক মোসাম্মাৎ রোকেয়া বেগম ও পরিচালক শামীমা নারগিস, জেসন ফার্মাসিউটিক্যালসের পরিচালক আয়রা সেলিম, জিনাত সেলিম, এনাম মল্লিক ও পরিচালক নাফিজা সেলিম, বেইজ টেক্সটাইল লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার শাহাদাত, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান শিবলী, প্যান এশিয়া ট্রেড হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফাইজুল হক, রকিবুল আনোয়ার হাসপাতাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রকিবুল মোহাম্মদ আনোয়ার এবং তার স্ত্রী নাফিজা আক্তার আনোয়ার।
অন্যদিকে, উত্তরা ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শামসুল আরেফীন, সাবেক সিনিয়র অফিসার মিষ্টু কুমার সাহা, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ট্রেজারি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজী আরিফুজ্জামান, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম কামরুজ্জামান এবং সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার রাফিদুল ইসলাম।
আরও পড়ুন
উত্তরা ফাইন্যান্সে চেয়ারম্যান-এমডিসহ চার পরিচালকের একযোগে পদত্যাগ
অনুমোদিত মামলার অভিযোগে বলা হয়, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে কোনো ধরনের আবেদনপত্র বা রেকর্ডপত্র জমা না দিয়ে, কোনো প্রকার জামানত ব্যতীত এবং বোর্ড অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে মোট ৬৮ কোটি ৮০ লাখ ৪৬ হাজার ১১৮ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ওই বিপুল অর্থ লোপাট করেন।
১২টি মামলায় ১৫ প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তা এবং উত্তরা ফাইন্যান্সের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এসএম/এমএমকে
বিজ্ঞাপন