নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
জনসাধারণের ভোগান্তি দূর করতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ সেবা এখন পুরোপুরি অনলাইন ও অটোমেটেড করা হয়েছে। নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই ‘ভূমি’ অ্যাপের মাধ্যমে ট্যাক্স প্রদান ও নামজারিসহ (মিউটেশন) বিভিন্ন আবেদন ও অভিযোগ দাখিল করতে পারছেন।
শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) চট্টগ্রামে খুলশী কনভেনশন হলে আয়োজিত ‘বিপিও সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, যারা সরাসরি অনলাইন ব্যবহারে অভ্যস্ত নন, তাদের সুবিধার্থে দেশব্যাপী ৮৯৩টি ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। এসব সেন্টার থেকে নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী অত্যন্ত স্বল্প খরচে নাগরিকরা প্রয়োজনীয় সব অনলাইন ভূমি সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।
ভূমি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কথা বলেন মীর হেলাল। তিনি বলেন,
"আমরা ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে একটি নতুন অ্যাপের পাইলটিং শুরু করেছি। এর মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তের ভূমি কর্মকর্তা অফিস চলাকালীন (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা) কর্মস্থল ত্যাগ করলে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল সংকেত (Red Alert) চলে আসবে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রযুক্তির ফলে অত্যন্ত কম খরচে প্রান্তিক পর্যায় থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
দেশের ফ্রিল্যান্সার ও তরুণদের মেধার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা প্রাতিষ্ঠানিক বড় সহযোগিতা ছাড়াই স্বশিক্ষিত হয়ে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনে বিশ্বদরবারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এই তরুণদের আরও কিছু বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি সেক্টরে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে যে সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নেওয়া হয়েছে, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো এই তরুণ প্রজন্ম।
মন্তব্য করুন